الليل
Al-Lail
ইহা মক্কায় অবতীর্ণ, বিসমিল্লাহ্সহ ইহাতে ২২ আয়াত এবং ১ রুকু আছে।
অবতরণ কাল ও প্রসঙ্গ
সুবিখ্যাত মুসলিম মনীষী ও বুজুর্গ ইবনে আব্বাস ও ইবনে যুবাইর (রাঃ) বলেন, এই সূরা প্রথমদিকেই মক্কায় অবতীর্ণ হইয়াছিল। উইলিয়াম মুইরও একই অভিমত পোষণ করেন। পূর্ববতী সূরাগুলির সাথে, বিশেষ করিয়া ‘সূরা ফাজ্র’ ও ‘সূরা বালাদ’ এর সাথে এই সূরার মিল রহিয়াছে। নিকটতম পূর্ব সূরাতে ইঙ্গিত দেওয়া হইয়াছে যে, ‘কা’বা’ তৈরির প্রধান উদ্দেশ্য, যাহা সূরা বালাদের মূল বিষয়, তাহা কখনও সত্যাত্মা-রূপ এক মহানবীর আগমন ব্যতিরেকে সম্পন্ন হওয়া সম্ভবপর ছিল না। আলোচ্য সূরাতে এই কথাও যোগ করা হইল যে, এইরূপ আদর্শ মহাপুরুষের সাথে যখন উচ্চাঙ্গীন আদর্শ স্থানীয় সাথীগণও যোগদান করেন তখন সোনায় সোহাগা হয় এবং সত্যের জ্যোতিঃ দ্বিগুণ বেগে চতুর্দিক আলোকিত করিতে থাকে। এই সূরাতে ঐ আদর্শ সাহাবীদের বৈশিষ্ট্যময় কয়েকটি উচ্চ গুণও বর্ণিত হইয়াছে। সেই সঙ্গে তুলনাস্বরূপ উল্লেখ করা হইয়াছে যে, মানুষের দুইটি চোখ-ধাঁধানো দোষত্রুটি রহিয়াছে যাহা জাতিকে ধ্বংস করিয়া দেয়।
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾
وَالَّیۡلِ اِذَا یَغۡشٰی ۙ﴿۲﴾
وَالنَّہَارِ اِذَا تَجَلّٰی ۙ﴿۳﴾
وَمَا خَلَقَ الذَّکَرَ وَالۡاُنۡثٰۤی ۙ﴿۴﴾
اِنَّ سَعۡیَکُمۡ لَشَتّٰی ؕ﴿۵﴾
فَاَمَّا مَنۡ اَعۡطٰی وَاتَّقٰی ۙ﴿۶﴾
وَصَدَّقَ بِالۡحُسۡنٰی ۙ﴿۷﴾
فَسَنُیَسِّرُہٗ لِلۡیُسۡرٰی ؕ﴿۸﴾