৩

آل عمران

সূরা আ লে ‘ইম্‌রান

Aal-e-`Imran

মাদানী ২০১ আয়াত ২০ রুকু পারা ৩–৪

ইহা মদীনায় অবতীর্ণ, বিসমিল্লাহ্‌সহ ইহাতে ২০১ আয়াত এবং ২০ রুকু আছে।

اِنۡ یَّنۡصُرۡکُمُ اللّٰہُ فَلَا غَالِبَ لَکُمۡ ۚ وَاِنۡ یَّخۡذُلۡکُمۡ فَمَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَنۡصُرُکُمۡ مِّنۡۢ بَعۡدِہٖ ؕ وَعَلَی اللّٰہِ فَلۡیَتَوَکَّلِ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۱۶۱﴾

১৬১
যদি আল্লাহ্ তোমাদিগকে সাহায্য করেন, তাহা হইলে কেহই তোমাদের উপরে জয়যুক্ত হইতে পারিবে না। কিন্তু তিনি যদি তোমাদিগকে বিপদে নিঃসঙ্গরূপে পরিত্যাগ করেন, তাহা হইলে তিনি ব্যতীত৫১৬ কে আছে যে তোমাদিগকে সাহায্য করিবে? এবং আল্লাহ্‌র উপরই মো’মেনগণকে নির্ভর করা উচিত।
৫১৬। ‘মিম্ বা’দিহি’র অনুবাদ করা হইয়াছে ‘তিনি ব্যতীত’। ইহার আক্ষরিক অর্থ ‘তাহার পরে’। ইহার অন্য অর্থ হয় ‘তাহার প্রতিপক্ষে’, তাহাকে বাদ দিয়া।

وَمَا کَانَ لِنَبِیٍّ اَنۡ یَّغُلَّ ؕ وَمَنۡ یَّغۡلُلۡ یَاۡتِ بِمَا غَلَّ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ۚ ثُمَّ تُوَفّٰی کُلُّ نَفۡسٍ مَّا کَسَبَتۡ وَہُمۡ لَا یُظۡلَمُوۡنَ ﴿۱۶۲﴾

১৬২
কোন নবীর পক্ষে ইহা সম্ভবই নহে যে, সে খিয়ানত৫১৭ করিবে, এবং যে কেহ খিয়ানত করিবে, সে যাহা খিয়ানত করিয়া থাকিবে তাহা কিয়ামত দিবসে লইয়া উপস্থিত হইবে। অতঃপর, প্রত্যেক আত্মাকে পূর্ণরূপে উহা দেওয়া হইবে যাহা সে অর্জন করিয়া থাকিবে, এবং তাহাদের উপর কোন অবিচার করা হইবে না।
৫১৭। উহুদের পাহাড়-চূড়ায় একদল তীরন্দাজকে রসূলে পাক (সাঃ) মুসলিম বাহিনীর পিছনদিক রক্ষার জন্য নিয়োজিত করিয়াছিলেন। তাহাদের অধিকাংশই শত্রুবাহিনীকে পলায়নপর দেখিয়া ঐ স্থান ত্যাগ করিয়া চলিয়া আসে। যদিও তাহাদের প্রতি নির্দেশ ইহাই ছিল যে, কোনও অবস্থাতেই যেন তাহারা ঐ স্থান ত্যাগ না করে, তথাপি তাহারা শত্রু পরাজিত হইয়াছে দেখিয়া ঐ স্থানে থাকার আর প্রয়োজন নাই মনে করিয়া অধিকাংশই সেখান হইতে সরিয়া পড়ে। সেই সময়ে, তাহারা ঐ স্থানটি ত্যাগ করিলে, নবী করীম (সাঃ)-এর আদেশ লঙ্ঘনের অপরাধ হইবে বলিয়া তাহারা মনে করেন নাই। তাহা ছাড়া, আরবের রীতি অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে যে ব্যক্তি যে পরিত্যাক্ত মালের উপর হাত রাখে, তাহা সে-ই পায়। এমতাবস্থায়, ঐ স্থানে অবস্থানরত থাকিলে, তাহারা গণিমতের (পরিত্যক্ত) মালের কিছুই পাইবে না, এই ধারণাও তাহাদের মনকে প্রভাবিত করিয়াছিল। তাহাদের এই অবাঞ্ছিত ধারণা ও কাজ পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত করে, নবী করীম (সাঃ) তাহাদের গনিমতের মালের অংশ পাওয়ার অধিকারকে উপেক্ষা করিতে পারিতেন। তাহাদের ধারণা ও আশংকাকেই এইখানে নিন্দা করা হইতেছে। তবে, মহানবী (সাঃ)-এর প্রতি তাহাদের আস্থার অভাব ছিল, এরূপ ইঙ্গিত মোটেই নাই। আয়াতটি শুধু এই কথাটিই বলিতে চায় যে, মহানবী (সাঃ) এমন কাজ কখনও করিতে পারেন না যে, তিনি যাহাদিগকে নিজে এক স্থানে কর্তব্যরত করিলেন, তাহার পরিত্যক্ত মালামালের অংশ পাইবে না।

اَفَمَنِ اتَّبَعَ رِضۡوَانَ اللّٰہِ کَمَنۡۢ بَآءَ بِسَخَطٍ مِّنَ اللّٰہِ وَمَاۡوٰٮہُ جَہَنَّمُ ؕ وَبِئۡسَ الۡمَصِیۡرُ ﴿۱۶۳﴾

১৬৩
অতএব, যে কেহ আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির অনুসরণ করে, সে কি ঐ ব্যক্তির মত হইতে পারে, যে আল্লাহ্‌র ক্রোধভাজন৫১৮ হইয়াছে এবং যাহার আবাসস্থল জাহান্নাম? এবং উহা কতই না মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল!
৫১৮। উহুদের যুদ্ধের অব্যবহিত পূর্বে মদীনার মোনাফেকগণ হঠাৎ পক্ষ ত্যাগ করিল। মুসলিম সৈন্য সংখ্যা এমনিতেই কম ছিল। সংকট মুহূর্তে মোনাফেকদের পক্ষ ত্যাগে মুসলিম শক্তি আরও হ্রাস প্রাপ্ত হইল। তথাপি নবী করীম (সাঃ) শত্রুদের মোকাবিলা করিতে অগ্রসর হইলেন। অপরপক্ষে, মোনাফেকগণ পক্ষ ত্যাগ করিয়া আল্লাহ্‌তা’লার অভিশাপ কুড়াইল।

ہُمۡ دَرَجٰتٌ عِنۡدَ اللّٰہِ ؕ وَاللّٰہُ بَصِیۡرٌۢ بِمَا یَعۡمَلُوۡنَ ﴿۱۶۴﴾

১৬৪
আল্লাহ্‌র নিকট তাহারা (বিভিন্ন) শ্রেণীভুক্ত;৫১৯ এবং তাহারা যাহা কিছু কর্ম করে উহা সম্বন্ধে আল্লাহ্ সর্বদ্রষ্টা।
৫১৯। ‘হুম দারাজাতুন’ অর্থ ‘তাহারা বিভিন্ন পদের অধিকারী’; এখানে দারাজাতুন শব্দটির পূর্বে ‘উলু’ শব্দটি উহ্য আছে।

لَقَدۡ مَنَّ اللّٰہُ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ اِذۡ بَعَثَ فِیۡہِمۡ رَسُوۡلًا مِّنۡ اَنۡفُسِہِمۡ یَتۡلُوۡا عَلَیۡہِمۡ اٰیٰتِہٖ وَیُزَکِّیۡہِمۡ وَیُعَلِّمُہُمُ الۡکِتٰبَ وَالۡحِکۡمَۃَ ۚ وَاِنۡ کَانُوۡا مِنۡ قَبۡلُ لَفِیۡ ضَلٰلٍ مُّبِیۡنٍ ﴿۱۶۵﴾

১৬৫
নিশ্চয় আল্লাহ্ মো’মেনগণের উপর অনুগ্রহ করিলেন যখন তিনি তাহাদের মধ্য হইতে৫২০ তাহাদের জন্য এমন এক রসূল আবির্ভুত করিলেন, যে তাঁহার আয়াতসমূহ তাহাদের নিকট আবৃত্তি করে ও তাহাদিগকে পবিত্র করে এবং তাহাদিগকে কিতাব এবং হিকমত শিক্ষা দেয়, এবং নিশ্চয় তাহারা ইহার পূর্বে প্রকাশ্য ভ্রান্তিতে ছিল।
৫২০। এই আয়াতটি বিশ্বাসীগণের হৃদয়ে মহানবী (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণের এক অনুপম চেতনা ও প্রেরণা জাগাইয়া তুলে। তিনি তাঁহাদেরই মত এবং তাহাদেরই একজন ছিলেন।

اَوَلَمَّاۤ اَصَابَتۡکُمۡ مُّصِیۡبَۃٌ قَدۡ اَصَبۡتُمۡ مِّثۡلَیۡہَا ۙ قُلۡتُمۡ اَنّٰی ہٰذَا ؕ قُلۡ ہُوَ مِنۡ عِنۡدِ اَنۡفُسِکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۱۶۶﴾

১৬৬
কী (ইহা কি সত্য নহে যে), যখনই তোমাদের উপর কোন মুসীবত আসিয়াছে যাহার দ্বিগুণ৫২১ মুসীবত তোমরা (শত্রুর উপর) ঘটাইয়াছিলে তখনই তোমরা বলিয়াছ, ‘ইহা কোথা হইতে আসিল?’ তুমি বল, ‘ইহা তোমাদের নিজেদেরই কারণে৫২২ আসিয়াছে।’ নিশ্চয় আল্লাহ্ প্রত্যেক বিষয়ে (যাহা তিনি চাহেন) সর্বশক্তিমান।
৫২১। এখানে বদরের যুদ্ধের কথা বলা হইয়াছে, যখন মক্কার শত্রু যোদ্ধাদের ৭০জনকে নিহত ও ৭০জনকে বন্দী করা হইয়াছিল। উহুদের যুদ্ধে ৭০জন মুসলমান শহীদ হন, কিন্তু কেহই বন্দী হন নাই। অতএব, মুসলমানগণের হাতে মক্কাবাসীদের দ্বিগুণ ক্ষতি হইল।
৫২২। মানুষের ভাল ও মন্দ উভয় প্রকারের কাজই তাহাদের নিজ হইতে উদ্ভূত হয়, যেহেতু সে নিজেই ঐ কাজের হোতা। তবে, যেহেতু আল্লাহ্‌তা’লা শেষ বিচারকরূপে তাহার কাজের ফলাফল নির্দ্ধারণ করেন, সেইহেতু, ভাল ফলই হউক আর মন্দ ফলই হউক, তাহা আল্লাহ্‌তা’লার দিকেও সমভাবে আরোপ করা যায় (৪ঃ৭৯)। এই অর্থে, মানুষের কাজের ভাল-মন্দ ফলাফল আল্লাহ্‌র দেওয়া প্রতিদান ও প্রতিফল বলিয়া অভিহিত হইতে পারে।

وَمَاۤ اَصَابَکُمۡ یَوۡمَ الۡتَقَی الۡجَمۡعٰنِ فَبِاِذۡنِ اللّٰہِ وَلِیَعۡلَمَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ﴿۱۶۷﴾ۙ

১৬৭
এবং যেদিন দুই দল পরস্পর মুখামুখী হইয়াছিল সেদিন যে মুসীবত তোমাদের উপর আসিয়াছিল, জানিও, উহা আল্লাহ্‌র আদেশেই আসিয়াছিল, এবং এই জন্য আসিয়াছিল যেন তিনি মো’মেনগণকে স্বতন্ত্ররূপে প্রকাশ করিয়া দেন;

وَلِیَعۡلَمَ الَّذِیۡنَ نَافَقُوۡا ۚۖ وَقِیۡلَ لَہُمۡ تَعَالَوۡا قَاتِلُوۡا فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ اَوِ ادۡفَعُوۡا ؕ قَالُوۡا لَوۡ نَعۡلَمُ قِتَالًا لَّاتَّبَعۡنٰکُمۡ ؕ ہُمۡ لِلۡکُفۡرِ یَوۡمَئِذٍ اَقۡرَبُ مِنۡہُمۡ لِلۡاِیۡمَانِ ۚ یَقُوۡلُوۡنَ بِاَفۡوَاہِہِمۡ مَّا لَیۡسَ فِیۡ قُلُوۡبِہِمۡ ؕ وَاللّٰہُ اَعۡلَمُ بِمَا یَکۡتُمُوۡنَ ﴿۱۶۸﴾ۚ

১৬৮
এবং যাহারা মোনাফেকী করিয়াছে তাহাদিগকেও যেন তিনি স্বতন্ত্ররূপে পৃথক করিয়া দেন৫২৩। এবং তাহাদিগকে বলা হইয়াছিল, ‘আস তোমরা আল্লাহ্‌র পথে যুদ্ধ কর এবং৫২৪ প্রতিরোধ কর’; তাহারা বলিয়াছিল, ‘যদি আমরা যুদ্ধ করিতে জানিতাম তাহা হইলে নিশ্চয় আমরা তোমাদের অনুগমন করিতাম৫২৫।’ সেদিন তাহারা তাহাদের ঈমানের তুলনায় কুফরীর অধিকতর নিকটবর্তী ছিল। তাহারা নিজেদের মুখে এমন কিছু বলে যাহা তাহাদের অন্তরে নাই এবং তাহারা যাহা কিছু গোপন করে তাহা আল্লাহ্ সর্বাপেক্ষা বেশী জানেন।
৫২৩। বিপদ-আপদ ও ত্যাগ-তিতিক্ষা সত্যিকার বিশ্বাসীকে দুর্বলচেতা বিশ্বাসী হইতে পার্থক্য করিয়া দেখায়। বিশ্বাসীদের আপদ-বিপদের সম্মুখীন হওয়ার উদ্দেশ্য ইহাই। এই দিক দিয়া দেখিলে, উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের দুর্দশা প্রকারান্তরে আশীর্বাদ স্বরূপ ছিল। ইহা সত্যিকার বিশ্বাসী ও মোনাফেকদেরে চিহ্নিত করিয়া দিল। এতদিন এই মোনাফেকগণ মুসলমানদের মধ্যে মিশিয়া রহিয়াছিল।
৫২৪। ‘আও’ শব্দটি যাহার আক্ষরিক অর্থ ‘অথবা’, এখানে ‘এবং’ অনুবাদ করা হইয়াছে। ‘অথবা’ মানে ‘অন্য কথায়’ ইত্যাদি।
৫২৫। ‘লাও না’লামু কিতালান’ (যদি আমরা যুদ্ধ করিতে জানিতাম) বাক্যাংশটির অর্থ হইতে পারে নিম্নরূপঃ (১) আমরা যদি বুঝিতাম যে, যুদ্ধ হইবে অর্থাৎ আমরা জানি যে যুদ্ধ হইবে না, কেননা বিরাট শত্রুবাহিনী দেখিয়া মুসলমানগণ যুদ্ধ না করিয়াই তাড়াতাড়ি পলায়ন করিবে, (২) আমরা যদি জানিতাম যে, ইহা একটি যুদ্ধ অর্থাৎ ইহা মুসলমানদের জন্য এক নিশ্চিত ধ্বংস, কেননা শত্রুর সৈন্য সংখ্যা ও যুদ্ধ-সম্ভার মুসলমানদের তুলনায় বহুগুণ বেশী, (৩) যুদ্ধ কিরূপে করিতে হয় তাহা যদি আমরা জানিতাম! এই ক্ষেত্রে ইহা ব্যঙ্গ্যোক্তি স্বরূপ, যাহার তাৎপর্য “আমরা যুদ্ধ সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান রাখি না এবং পারদর্শীও নই। যদি সেরূপ হইতাম, তাহা হইলে তো তোমাদের সাথে মিলিয়া যুদ্ধ করিতাম।” স্বতঃই ইহা উহুদের ঘটনার কথা, যখন ৩০০ মুনাফেক তাহাদের নেতা আব্দুল্লাহ বিন উবাই-এর নেতৃত্বে মুসলমানদিগকে যুদ্ধ ময়দানে ছাড়িয়া মদীনায় ফিরিয়া গিয়াছিল।

اَلَّذِیۡنَ قَالُوۡا لِاِخۡوَانِہِمۡ وَقَعَدُوۡا لَوۡ اَطَاعُوۡنَا مَا قُتِلُوۡا ؕ قُلۡ فَادۡرَءُوۡا عَنۡ اَنۡفُسِکُمُ الۡمَوۡتَ اِنۡ کُنۡتُمۡ صٰدِقِیۡنَ ﴿۱۶۹﴾

১৬৯
(তাহারা ঐ সকল লোক) যাহারা (পিছনে) বসিয়া থাকিল এবং আপন ভাইদের৫২৬ সম্বন্ধে বলিল, ‘যদি তাহারা আমাদের কথা মান্য করিত তাহা হইলে তাহার মারা যাইত না।’ তুমি বল, ‘যদি তোমরা সত্যবাদী হইয়া থাক তাহা হইলে তোমরা নিজেদের উপর হইতে মৃত্যুকে সরাইয়া দেখাও।’
৫২৬। ‘আপন ভাইদের সম্বন্ধে বলিয়াছিল’ অর্থাৎ তাহাদের ভাইদের ব্যাপারে বলিল অথবা তাহারা ভাইদের (মুসলমানদের) ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করিল।

وَلَا تَحۡسَبَنَّ الَّذِیۡنَ قُتِلُوۡا فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ اَمۡوَاتًا ؕ بَلۡ اَحۡیَآءٌ عِنۡدَ رَبِّہِمۡ یُرۡزَقُوۡنَ ﴿۱۷۰﴾ۙ

১৭০
এবং যাহারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত৫২৭ হইয়াছে, তাহাদিগকে তুমি কখনও মৃত মনে করিও না। বরং তাহারা তাহাদের প্রভুর সন্নিধানে জীবিত, (এবং) তাহাদিগকে রিয্‌ক দেওয়া হইতেছে;
৫২৭। ‘আম্ওয়াত’ ‘মাইইত’ এর বহুবচন, মাইইত অর্থ মৃত। এছাড়াও ইহার অন্যান্য অর্থ আছেঃ— (১) যে নিহত ব্যক্তির রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হয় নাই, (২) যে মৃতব্যক্তির কোন উত্তরাধিকারী নাই, (৩) যে ব্যক্তি শোকে-দুঃখে একেবারে মুহ্যমান হইয়া পড়িয়াছে।