৪২

الشورى

সূরা আশ্‌ শূরা

Ash-Shura

মক্কী ৫৪ আয়াত ৫ রুকু পারা ২৫

ইহা মক্কায় অবতীর্ণ, বিসমিল্লাহ্‌সহ ইহাতে ৫৪ আয়াত এবং ৫ রুকু আছে।

مَنۡ کَانَ یُرِیۡدُ حَرۡثَ الۡاٰخِرَۃِ نَزِدۡ لَہٗ فِیۡ حَرۡثِہٖ ۚ وَمَنۡ کَانَ یُرِیۡدُ حَرۡثَ الدُّنۡیَا نُؤۡتِہٖ مِنۡہَا وَمَا لَہٗ فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنۡ نَّصِیۡبٍ ﴿۲۱﴾

২১
যে ব্যক্তি পরকালের ফসল কামনা করে, আমরা তাহার জন্য তাহার ফসল বর্ধিত করিয়া দিই, এবং যে ব্যক্তি ইহকালের ফসল কামনা করে, আমরা তাহাকে ইহা হইতে কিছু (অংশ) দিয়া দিই, কিন্তু পরকালে তাহার জন্য কোন অংশ থাকিবে না।২৬৫২
২৬৫২। যাহারা ইহজীবনের তুচ্ছ ও সামান্য বস্তু অর্জনের জন্য তাহাদের সকল প্রচেষ্টাকে নিয়োজিত রাখে, তাহারা পরকালের অমর জীবনের মঙ্গল ও আশীষসমূহ হইতে বঞ্চিত হইবে। কিন্তু যাহারা পরকালের জীবনের জন্য ইহলোকেই প্রস্তুতি নেয়, তাহারা সীমাহীন বেহেশ্‌তি সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের অধিকারী হইবে, যাহা কখনও ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না।

اَمۡ لَہُمۡ شُرَکٰٓؤُا شَرَعُوۡا لَہُمۡ مِّنَ الدِّیۡنِ مَا لَمۡ یَاۡذَنۡۢ بِہِ اللّٰہُ ؕ وَلَوۡلَا کَلِمَۃُ الۡفَصۡلِ لَقُضِیَ بَیۡنَہُمۡ ؕ وَاِنَّ الظّٰلِمِیۡنَ لَہُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ﴿۲۲﴾

২২
তাহাদের জন্য কি এরূপ কিছু শরীক আছে যাহারা তাহাদের জন্য এমন ধর্মীয় বিধান নির্ণয় করিয়াছে যাহার কোন আদেশ আল্লাহ্ দেন নাই? বস্তুতঃ আল্লাহ্‌র পক্ষ হইতে যদি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বাক্য নির্ধারিত হইয়া না থাকত, তাহা হইলে তাহাদের মধ্যে নিশ্চয় ফয়সালা করিয়া দেওয়া হইত। এবং যালেমদের জন্য নিশ্চয় যন্ত্রণাদায়ক আযাব আছে।

تَرَی الظّٰلِمِیۡنَ مُشۡفِقِیۡنَ مِمَّا کَسَبُوۡا وَہُوَ وَاقِعٌۢ بِہِمۡ ؕ وَالَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فِیۡ رَوۡضٰتِ الۡجَنّٰتِ ۚ لَہُمۡ مَّا یَشَآءُوۡنَ عِنۡدَ رَبِّہِمۡ ؕ ذٰلِکَ ہُوَ الۡفَضۡلُ الۡکَبِیۡرُ ﴿۲۳﴾

২৩
তাহারা যাহা কিছু অর্জন করিয়াছে উহার জন্য তুমি যালেমদিগকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় দেখিবে অথচ উহা তাহাদের উপর অবশ্যই আপতিত হইবে। এবং যাহারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাহারা জান্নাতসমূহের সবুজ তৃণবহুল স্থানে২৬৫৩ থাকিবে। তাহারা যাহা কিছু চাহিবে তাহাদের প্রতিপালকের সন্নিধানে তাহাদের জন্য উহা মওজুদ থাকিবে। ইহা হইবে (তাঁহার) মহা অনুগ্রহ।
২৬৫৩। ১৯ আয়াতে বলা হইয়াছে যে, অবিশ্বাসীরা পুনরুত্থান দিবসের কথা বিদ্রুপাত্মকভাবে উড়াইয়া দিয়া উপহাস করিয়া বলে যে, ঐ দিনটা তাড়াতাড়ি আসিয়া গেলেই তো ভাল হয়। কিন্তু বিশ্বাসীরা নিজেদের গুরুদায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়া, ঐ দিনের সামনা সামনি হইতে ভয় পায়। এই ২৩ আয়াতে বলা হইয়াছে যে, পুনরুত্থান-দিবসে এই চিন্তাধারা একেবারে উল্টিয়া যাইবে। অবিশ্বাসীরাই ঐদিন তাহাদের অপকর্মের অশুভ ফলাফলের চিন্তায় একেবারে অস্থির হইয়া পড়িবে। আর সেই সময়ে বিশ্বাসীরা আল্লাহ্‌তা’লার ভালবাসার ছায়াতলে আশ্রয় লাভ করিয়া আশীর্বাদের বাগানে খুশী মনে ইচ্ছামত চলাফেরা করিবে।

ذٰلِکَ الَّذِیۡ یُبَشِّرُ اللّٰہُ عِبَادَہُ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ قُلۡ لَّاۤ اَسۡـَٔلُکُمۡ عَلَیۡہِ اَجۡرًا اِلَّا الۡمَوَدَّۃَ فِی الۡقُرۡبٰی ؕ وَمَنۡ یَّقۡتَرِفۡ حَسَنَۃً نَّزِدۡ لَہٗ فِیۡہَا حُسۡنًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ شَکُوۡرٌ ﴿۲۴﴾

২৪
ইহাই সেই বিষয় যাহার সুসংবাদ আল্লাহ্ নিজের বান্দাগণকে দিতেছেন, যাহারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। তুমি বল, ‘আমি তোমাদের নিকট হইতে ইহার (খিদমতের) বিনিময়ে কোন প্রতিদান চাহি না, একমাত্র সৌহার্দ ও প্রেম-প্রীতি ছাড়া যাহা নিকট আত্মীয়-স্বজনদের২৬৫৪ মধ্যে বিদ্যমান। এবং যে উৎকৃষ্ট ও সুন্দর কার্য করে আমরা তাহার জন্য সেই কার্যে সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করিয়া দিই। নিশ্চয় আল্লাহ্ পরম ক্ষমাশীল, অতীব গুণগ্রাহী।
২৬৫৪। এই শব্দগুলির বিভিন্ন অর্থ হইতে পারেঃ (১) তোমাদিগকে আল্লাহ্‌র পথে আনিবার জন্য আমার এই যে দুর্নিবার প্রচেষ্টা ও পরিশ্রম, ইহার বিনিময়ে আমি তোমাদের নিকট হইতে কোনই উপকার বা পারিশ্রমিক চাই না, শুধু আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ থাকার কারণে তোমাদের আত্মিক মঙ্গল ও হিতৈষণাই আমাকে এই প্রচার-পরিশ্রম করিতে বাধ্য করে; (২) তোমাদের আধ্যাত্মিক উপকার সাধনের উদ্দেশ্যে আমি যে মহাব্রত অবলম্বন করিয়াছি ইহার জন্য আমি তোমাদের কাছ হইতে কোন বিনিময় বা পুরস্কার চাই না। তবে আমি ইহাকেই পুরস্কার মনে করিব যদি তোমরা রক্তের আত্মীয়ের মত মিলিয়া মিশিয়া বাস কর এবং আত্মীয়দের মধ্যে পরস্পর স্নেহ, ভালবাসা ও সহানুভূতিকে লালন কর; (৩) তোমাদের প্রতি আমার যে শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রহিয়াছে, উহার জন্য তোমাদের কাছ হইতে আমি কোন বিনিময় চাহি না। আমি মাত্র এতটুকুই চাই যে, তোমরা আমার বিরোধিতা করিতে গিয়া আত্মীয়তার রক্ত-বন্ধনটাকে একেবারে অবহেলা করিও না; (৪) আমি তোমাদের কাছ হইতে কোন পুরস্কার চাই না বরং আমি ইহাই চাই যে, তোমরা আল্লাহ্‌তা’লার নৈকট্য লাভের উদ্দ্যেশকে পসন্দ কর ও গুরুত্ব দাও। (কুরবা বা কুরবৎ অর্থ নৈকট্য)। এই শেষোক্ত অর্থটি ২৫ঃ৫৮-এর সহিত মিলে যেখানে মহানবী (সাঃ)-এর উল্লেখ করিয়া আল্লাহ্‌তা’লা বলিয়াছেন, “আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না কেবল ইহা ছাড়া যে, যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করে তাহা হইলে সে নিজের প্রভুর (নিকট যাওয়ার) পথ অবলম্বন করুক।”

اَمۡ یَقُوۡلُوۡنَ افۡتَرٰی عَلَی اللّٰہِ کَذِبًا ۚ فَاِنۡ یَّشَاِ اللّٰہُ یَخۡتِمۡ عَلٰی قَلۡبِکَ ؕ وَیَمۡحُ اللّٰہُ الۡبَاطِلَ وَیُحِقُّ الۡحَقَّ بِکَلِمٰتِہٖ ؕ اِنَّہٗ عَلِیۡمٌۢ بِذَاتِ الصُّدُوۡرِ ﴿۲۵﴾

২৫
তাহারা কি বলে যে, ‘সে আল্লাহ্‌র উপর মিথ্যা রচনা করিয়াছে?’ আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করিলে তোমার অন্তরের উপর মোহর মারিয়া দিতে পারেন।২৬৫৫ আল্লাহ্ মিথ্যাকে মুছিয়া দেন এবং সত্যকে নিজ বাণী দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি বক্ষঃস্থলে নিহিত কথা সম্যক পরিজ্ঞাত আছেন।
২৬৫৫। এই শব্দগুলিতে বুঝাইতে পারে— যদি আল্লাহ্‌তা’লা মনে করিতেন যে, তোমাকে মিথ্যাবাদী, জালিয়াত ও প্রবঞ্চক বলিয়া গালি দেওয়ার জন্য তাহাদিগকে শাস্তি দান করাই উচিত ছিল, তাহা হইলে তিনি তোমার হৃদয়ের উপর মোহর মারিয়া দিতেন অর্থাৎ তোমার মনে তাহাদের জন্য কোন দয়া-মায়া ও উদ্বেগ থাকিত না যাহাতে আধ্যাত্মিক মঙ্গলাকাংখার পরিবর্তে তুমি তাহাদের উপর অভিশাপ কামনা করিতে। কিন্তু তুমি তাহা করো না, যেহেতু আল্লাহ্‌তা’লা অন্যরূপে চাহিয়াছেন। ইহার অন্য অর্থও হইতে পারে, যথাঃ মহানবী (সাঃ) যদি আল্লাহ্‌তা’লার ব্যাপারে কোনও মিথ্যা কথা বানাইয়া থাকিতেন, তাহা হইলে তাঁহার ব্যবহার ও চালচলন ঐ লোকের মত হইত, যে আল্লাহ্‌র বিরুদ্ধাচরণ ও বিদ্রোহ করে। কিন্তু তিনি দিন দিন উত্তম হইতে উত্তম ও উচ্চ হইতে উচ্চতর স্তরের গুণাবলী ও ধার্মিকতা অর্জন করিয়া চলিয়াছেন। ইহাতে বুঝা যায়, তিনি আল্লাহ্‌র প্রযত্ন ও হেফাযতের মধ্যে রহিয়াছেন, যাহার কারণে তিনি ভুল-ভ্রান্তি হইতে মুক্ত থাকিতে পারিয়াছেন।

وَہُوَ الَّذِیۡ یَقۡبَلُ التَّوۡبَۃَ عَنۡ عِبَادِہٖ وَیَعۡفُوۡا عَنِ السَّیِّاٰتِ وَیَعۡلَمُ مَا تَفۡعَلُوۡنَ ﴿ۙ۲۶﴾

২৬
এবং তিনিই তো নিজ বান্দাগণের তওবা কবুল করেন এবং পাপসমূহ ক্ষমা করেন। এবং তোমরা যাহা কিছু কর, তাহা তিনি অবগত আছেন।

وَیَسۡتَجِیۡبُ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَیَزِیۡدُہُمۡ مِّنۡ فَضۡلِہٖ ؕ وَالۡکٰفِرُوۡنَ لَہُمۡ عَذَابٌ شَدِیۡدٌ ﴿۲۷﴾

২৭
এবং নিশ্চয় তিনি তাহাদের দোয়া কবুল করেন যাহারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে; এবং তিনি নিজ অনুগ্রহ দ্বারা (তাহাদের প্রাপ্য পুরস্কার অপেক্ষা) তাহাদিগকে অধিক দিয়া থাকেন; এবং কাফেরদের জন্য কঠোর আযাব নির্ধারিত আছে।

وَلَوۡ بَسَطَ اللّٰہُ الرِّزۡقَ لِعِبَادِہٖ لَبَغَوۡا فِی الۡاَرۡضِ وَلٰکِنۡ یُّنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا یَشَآءُ ؕ اِنَّہٗ بِعِبَادِہٖ خَبِیۡرٌۢ بَصِیۡرٌ ﴿۲۸﴾

২৮
এবং যদি আল্লাহ্‌ নিজ বান্দাগণের জন্য রিয্‌ককে অধিক পরিমাণে সম্প্রসারিত করিয়া দিতেন, তাহা হইলে তাহারা পৃথিবীতে অবশ্যই বিদ্রোহ করিত, কিন্তু তিনি যাহা কিছু চাহেন পরিমাণ অনুযায়ী নাযেল করেন। নিশ্চয় তিনি নিজ বান্দাগণ সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত পর্যবেক্ষক।

وَہُوَ الَّذِیۡ یُنَزِّلُ الۡغَیۡثَ مِنۡۢ بَعۡدِ مَا قَنَطُوۡا وَیَنۡشُرُ رَحۡمَتَہٗ ؕ وَہُوَ الۡوَلِیُّ الۡحَمِیۡدُ ﴿۲۹﴾

২৯
এবং তিনিই তো তাহাদের নিরাশ হইয়া যাওয়ার পর বারি বর্ষণ করেন এবং নিজ রহমতকে বিস্তৃত করিয়া দেন। বস্তুতঃ তিনিই প্রকৃত অভিভাবক, সকল প্রশংসার অধিকারী।

وَمِنۡ اٰیٰتِہٖ خَلۡقُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَثَّ فِیۡہِمَا مِنۡ دَآبَّۃٍ ؕ وَہُوَ عَلٰی جَمۡعِہِمۡ اِذَا یَشَآءُ قَدِیۡرٌ ﴿٪۳۰﴾

৩০
এবং আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যে সমস্ত জীবজন্তু ছড়াইয়া দিয়াছেন উহা তাঁহার নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এবং তিনি যখন চাহিবেন তাহাদের সকলকে একত্রিত করিতে সক্ষম।২৬৫৬
সূরা আশ্‌ শূরা - রুকু ৩
২৬৫৬। এই আয়াতটি আল্লাহ্‌র বাণীর একটি অত্যুজ্জ্বল ও অত্যাশ্চর্য সাক্ষ্য। ইহা সাক্ষ্য দিতেছে যে, কুরআন আল্লাহ্‌তা’লার তরফ হইতে অবতীর্ণ হইয়াছে। আজ হইতে ১৪ শত বৎসর পূর্বে যখন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা মাত্র আতুর ঘরে ছিল, তখন আরব মরুর এক নিরক্ষর দুলালের পক্ষে এই অত্যাশ্চর্য মহাপাণ্ডিত্যপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পরিবেশন করা কী করিয়া সম্ভব হইল যে, পৃথিবী ছাড়াও মহাশূন্যের অন্যান্য গ্রহে কোন না কোন আকৃতিতে জীবনের অস্তিত্ব রহিয়াছে! ‘আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যে সমস্ত জীব-জন্তু ছড়াইয়া দিয়াছেন’ এই বাক্যাংশটি, এক আশ্চর্যজনক বৈজ্ঞানিক তথ্যকে সেই সুদূর অতীতে প্রকাশ করিয়াছে, কারণ কুরআন সর্বজ্ঞানী আল্লাহ্‌র বাণী, ইহা মুহাম্মদ (সাঃ) কিংবা অন্য কোন মানবের বাণী নহে। ‘তিনি যখন চাহিবেন সকলকে একত্রিত করিতে সক্ষম’ এই বাক্যাংশটি একটি ভবিষ্যদ্বাণীও হইতে পারে যে, এমন এক সময় আসিবে (সম্ভবতঃ) যখন পৃথিবীতে বসবাসকারী ও অন্যান্য গ্রহ-গ্রহান্তরের বসবাসকারীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হইবে এবং তাহারা একত্রিত হইবার সুযোগ পাইবে। প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে সম্প্রতি জানা গিয়াছে যে ১২,০০০ বৎসর পূর্বে আকাশ হইতে অতিথিরা (‘দ্রোপাস’) পৃথিবীতে আসিয়াছিল (দি পাকিস্তান টাইমস, ১৩-৮-৬৭)।