৬৬৮

‘ফয্‌ল’ ( অনুগ্রহ ) এবং ‘রহ্‌মত’ ( দয়া ) উভয় শব্দই সাধারণ তাৎপর্য রাখে, তথাপি ‘ফয্‌ল’ শব্দটি সময়ে সময়ে ‘ইহলৌকিক মঙ্গলের জন্য’ এবং ‘রহ্‌মত’ শব্দটি আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য ব্যবহৃত হইয়া থাকে (২ঃ৬৫)। অতএব, ইহাই বুঝা যায়,নবী করীম (সাঃ) জাগতিক ও আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রেই আল্লাহ্‌তা’লার প্রত্যক্ষ হেফাযতে ছিলেন।

Visitor Edits

May 4, 2026 1:03 pmApproved(Admin Modified)
‘ফয্‌ল’ ( অনুগ্রহ ) এবং ‘রহ্‌মত’ ( দয়া ) উভয় শব্দই সাধারণ তাৎপর্য রাখে, তথাপি ‘ফয্‌ল’ শব্দটি সময়ে সময়ে ‘ইহলৌকিক মঙ্গলের জন্য’ এবং ‘রহ্‌মত’ শব্দটি আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য ব্যবহৃত হইয়া থাকে (২ঃ৬৫)। অতএব, ইহাই বুঝা যায়,নবী করীম (সাঃ) জাগতিক ও আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রেই আল্লাহ্‌তা’লার প্রত্যক্ষ হেফাযতে ছিলেন।