القدر
Al-Qadr
ইহা মক্কায় অবতীর্ণ, বিসমিল্লাহ্সহ ইহাতে ৬ আয়াত এবং ১ রুকু আছে।
অবতরণ-কাল ও প্রসঙ্গ
কোন কোন ব্যাখ্যাকারী মনে করেন যে, এই সূরা মদীনায় অবতীর্ণ হইয়াছিল। এই ধারণা ভুল, কেননা এইরূপ ধারণা সকল ঐতিহাসিক তথ্যের বিপরীত। ইহা সুনিশ্চিতভাবে মক্কী সূরা, নবুওয়াতের প্রথম বৎসরগুলির মধ্যেই ইহা অবতীর্ণ হইয়াছিল। হযরত ইবনে আব্বাস, ইবনে যুবায়র ও আয়েশার (রাঃ) মত মনীষীগণও এই অভিমত পোষণ করেন। নলডিকি ইহাকে ৯৩ সূরার পরেই স্থান দিয়াছেন, যাহা নবুওয়াতের অতি প্রাথমিক কালের সূরা। পূর্ববর্তী সূরাতে আল্লাহ্তা’লা বিশ্ব-নবী (সাঃ)-কে কুরআন পাঠের আদেশ দান করিয়া ইহার শিক্ষা ও বাণীকে বিশ্বব্যাপী ঘোষণা ও প্রচার করার তাকিদ দিয়াছেন। এই সূরাতে কুরআনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও কল্যাণ-বর্ষিতার কথা বলা হইয়াছে এবং প্রারম্ভেই কুরআনের অবতরণের রাত্রিকে ‘লায়লাতুল কাদর’ (ফয়সালার মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি) বলিয়া ব্যক্ত করা হইয়াছে। এই সৌভাগ্য-রজনী কুরআনের ৪৪ঃ৪ আয়াতে বরকতপূর্ণ রাত্রি বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে। বিসমিল্লাহ্ ব্যতীত এই সূরাতে মাত্র পাঁচটি আয়াত রহিয়াছে, কিন্তু এইগুলির বক্তব্য ও অর্থের মধ্যে সুগভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রহিয়াছে।
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾
اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰہُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ ۚ﴿ۖ۲﴾
وَمَاۤ اَدۡرٰٮکَ مَا لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ؕ﴿۳﴾
لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَہۡرٍ ؕ﴿ؔ۴﴾
تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِکَۃُ وَالرُّوۡحُ فِیۡہَا بِاِذۡنِ رَبِّہِمۡ ۚ مِنۡ کُلِّ اَمۡرٍ ۙ﴿ۛ۵﴾
سَلٰمٌ ۟ۛ ہِیَ حَتّٰی مَطۡلَعِ الۡفَجۡرِ ﴿٪۶﴾