اللهب
Al-Lahab
মক্কী সূরা, বিসমিল্লাহসহ ৬ আয়াত ও ১ রুকূ
(হিজরতের পূর্বে অবতীর্ণ)
মুসলিম মুফাসসিররা সকলেই এ ব্যাপারে একমত, এ সূরা নবুওয়তের প্রথম দিকেই মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছিল। নলডিকি ও মুইর একই অভিমত পোষণ করেন। অনেকে বলেন, অবতরণের দিক দিয়ে এটা পঞ্চম সূরা। সূরা আলাক, কলম, মুযযাম্মিল ও মুদ্দাসসির- এ চারটি সূরা অবতীর্ণ হবার পরেই এ সূরাটি অবতীর্ণ হয়। সূরাটির নামকরণ থেকে মনে হয়, রক্তবর্ণ চেহারা উগ্র স্বভাববিশিষ্ট মানবগোষ্ঠীর কথা এ সূরাটির বিষয়বস্তু। সূরা কাওসারে মহানবী (সা.)-কে দুটি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। একটি হলো মহানবী (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বিপুল সংখ্যায় বৃদ্ধি পাবে, আর দ্বিতীয়টি ইসলামের শত্রুদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। পূর্ববর্তী ‘সূরা নাসর’-এ প্রতিশ্রুতির প্রথমাংশের পূর্ণতার উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচ্য ‘সূরা লাহাব’-এ দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতির পূর্ণতার কথা ব্যক্ত হয়েছে।
** মহানবী (সা.)-এর এক চাচার নাম ছিল আবু লাহাব, যে সর্বত্র মহানবী (সা.)-এর বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে থাকত আর তার স্ত্রীও তার সহযোগী ছিল। আল্লাহ তা’লা বলেন, তার দুটি হাত কাটা পড়বে অর্থাৎ ইসলামের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও যারা যুদ্ধে আগুন প্রজ্বলন করবে, তারা ডানপন্থি হোক বা বামপন্থিই হোক- তাদের ভাগ্যে লাঞ্ছনা-গঞ্জনা ছাড়া কিছুই জুটবে না। আর তাদের অনুগামী যে-সব জাতি যুদ্ধের ইন্ধন সরবরাহ করতে তাদের সাহায্য করবে, তাদের ভাগ্যে ফাঁসির দড়ি ছাড়া অন্য কিছুই নির্ধারিত নাই।*
* হযরত খলীফাতুল মসীহ রাবে (রাহে.) কর্তৃক উর্দুতে অনূদিত কুরআন করীমে প্রদত্ত সূরার ভূমিকা দ্রষ্টব্য।
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾
تَبَّتۡ یَدَاۤ اَبِیۡ لَہَبٍ وَّتَبَّ ؕ﴿۲﴾
مَاۤ اَغۡنٰی عَنۡہُ مَالُہٗ وَمَا کَسَبَ ؕ﴿۳﴾
سَیَصۡلٰی نَارًا ذَاتَ لَہَبٍ ۚ﴿ۖ۴﴾
وَّامۡرَاَتُہٗ ؕ حَمَّالَۃَ الۡحَطَبِ ۚ﴿۵﴾
فِیۡ جِیۡدِہَا حَبۡلٌ مِّنۡ مَّسَدٍ ﴿٪۶﴾