Category: Uncategorized

  • ৬২১

    শাসন-ক্ষমতা বা কর্তৃত্বকে এখানে জনগণের ‘আমানত’ বলা হইয়াছে। ইহাদ্বারা এই কথাই বুঝানো হইয়াছে যে, আমানতের অধিকর্তা হইল জনগণ; কোন ব্যক্তি বা বাদ্‌শাহ্ বা বংশ বিশেষ নহে। কুরআন কোন নির্দিষ্ট বংশদ্বারা দেশ-শাসন, কিংবা বংশানুক্রমিক শাসন ক্ষমতা প্রয়োগ সমর্থন করে না। বরং ইহার বিপরীত জনগণের প্রতিনিধির দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনাকেই অনুমোদন করে। রাষ্ট্রের প্রধান হইবেন নির্বাচিত ব্যক্তি। আর ঐ পদে নির্বাচনের জন্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিকে ভোট দিবার নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে। কিন্তু ইসলাম পদের আকাঙ্খা করিতে নিষেধ করিয়াছে (বুখারীঃকিতাবুল আহ্‌কাম)।