কুরআনের সূরা বাকারার ৩১ আয়াত হইতে বুঝা যায় এবং হাদীস হইতে সাব্যস্ত হয় যে, আল্লাহ্তা’লা যখন পৃথিবীতে নবী পাঠাইতে চাহেন, তখনই তিনি তাঁহার নিকটবর্তী ফিরিশ্তাগণের কাছে তাঁহার এই ইচ্ছাটি প্রকাশ করেন। তাহারা বিষয়টি অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ জানিয়া ও বুঝিয়া নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। আলোচনারত ফিরিশ্তাদেরকেই ‘মালায়ে আলা’ বা উচ্চ পর্যায়ের মজলিস বলা হইয়াছে। মহানবী (সাঃ) এই কথা বলিয়াছেন বলিয়া জানা যায় যে, তাঁহার উপর যখন নবুওয়াতের ঐশী দায়িত্ব অর্পিত হইতেছিল, তখন ফিরিশ্তাদের মধ্যে এই ব্যাপারে কি কি বিষয় আলাপ-আলোচনা হইয়াছিল, তাহা তিনি জানতে পারেন নাই।
Visitor Edits
কুরআনের সূরা বাকারার ৩১ আয়াত হইতে বুঝা যায় এবং হাদীস হইতে সাব্যস্ত হয় যে, আল্লাহ্তা’লা যখন পৃথিবীতে নবী পাঠাইতে চাহেন, তখনই তিনি তাঁহার নিকটবর্তী রিশ্তাগণের কাছে তাঁহার এই ইচ্ছাটি প্রকাশ করেন। তাহারা বিষয়টি অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ জানিয়া ও বুঝিয়া নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। আলোচনারত ফিরিশ্তাদেরকেই ‘মালায়ে আলা’ বা উচ্চ পর্যায়ের মজলিস বলা হইয়াছে। মহানবী (সাঃ) এই কথা বলিয়াছেন বলিয়া জানা যায় যে, তাঁহার উপর যখন নবুওয়াতের ঐশী দায়িত্ব অর্পিত হইতেছিল, তখন ফিরিশ্তাদের মধ্যে এই ব্যাপারে কি কি বিষয় আলাপ-আলোচনা হইয়াছিল, তাহা তিনি জানিতে পারেন নাই।