পূর্ববর্তী আয়াত হইতে বুঝা যায়, সোলায়মান (আঃ) আগে হইতেই টের পাইয়াছিলেন যে তাঁহার পার্থিব রাজ্য, তাঁহার অপদার্থ পুত্র দ্বারা রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়, বরং এই রাজ্য খণ্ড-বিখণ্ড হইয়া যাইবে। অতএব তিনি আল্লাহ্তা’লার কাছে প্রার্থনা করিলেন যে, আল্লাহ্তা’লা যে আধ্যাত্মিক রাজত্ব তাহাকে দান করিয়াছেন, তাহা যেন চলিতে থাকে। সোলায়মানের দোয়া—“আমাকে এমন রাজ্য দান কর যাহা আমার পরে, অন্য কাহারও জন্য (উহার উত্তরাধিকারী হওয়া) সমীচীন না হয়” এর আক্ষরিক অর্থ গ্রহণ করিলে ইহাই প্রতিভাত হইবে যে, তাঁহার দোয়া কবুল হইয়াছিল। কেননা তাঁহার মৃত্যুর পরে এমন একজন রাজাও ইস্রাঈল বংশে জন্মগ্রহণ করেন নাই, যাহাকে ক্ষমতা, প্রতাপ ও সম্মানের দিক দিয়া তাঁহার সহিত তুলনা করা যাইতে পারে।
Visitor Edits
পূর্ববর্ত্তী আয়াত হইতে বুঝা যায়, সোলায়মান (আঃ) আগে হইতেই টের পাইয়াছিলেন যে তাঁহার পার্থিব রাজ্য, তাঁহার অপদার্থ পুত্র দ্বারা রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়, বরং এই রাজ্য খণ্ড-বিখণ্ড হইয়া যাইবে। অতএব তিনি আল্লাহ্তা’লার কাছে প্রার্থনা করিলেন যে, আল্লাহ্তা’লা যে আধ্যাত্মিক রাজত্ব তাহাকে দান করিয়াছেন, তাহা যেন চলিতে থাকে। সোলায়মানের দোয়া—‘আমাকে এমন রাজ্য দান কর যাহা আমার পরে, অন্য কাহারও জন্য (উহার উত্তরাধিকারী হওয়া) সমীচীন না হয়’ এর আক্ষরিক অর্থ গ্রহণ করিলে ইহাই প্রতিভাত হইবে যে, তাঁহার দোয়া কবুল হইয়াছিল। কেননা তাঁহার মৃত্যুর পরে এমন একজন রাজাও ইস্রাঈল বংশে জন্মগ্রহণ করেন নাই, যাহাকে ক্ষমতা, প্রতাপ ও সম্মানের দিক দিয়া তাঁহার সহিত তুলনা করা যাইতে পারে।