২৩৩৪

এই আয়াতে হযরত নূহ, ইব্‌রাহীম, মূসা ও ঈসা (আঃ)—এই চারজন বিশিষ্ট নবীর নাম এই জন্য উল্লেখ করা হইয়াছে যে, ইসলাম পূর্বযুগে তাহারা অতি উচ্চ পর্যায়ের আল্লাহ্‌র প্রেরিত নবীরূপে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। নূহ (আঃ) প্রকৃত অর্থে প্রথম শরীয়াতদাতা নবী ছিলেন। হযরত ইব্‌রাহীম (আঃ), মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পূর্বপুরুষ হিসাবে মূসায়ী শরীয়াত ও ইসলামী শরীয়াতের মিলন ক্ষেত্ররূপে চিহ্নিত হন। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মতই মূসা (আঃ) শরীয়াতবাহী নবী ছিলেন। আর ঈসা (আঃ) ছিলেন বনি ইসরাঈলের শেষ নবী এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমনের অগ্রদূত ও বার্তা-বাহক ‘তাহাদের চুক্তি-নামা’ বলিতে, ঐ নবীগণ কর্তৃক তাহাদের উচ্চ মর্যাদা অনুযায়ী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের যে প্রতিশ্রুতি তাহারা আল্লাহ্‌র কাছে দিয়াছিলেন তাহা বুঝায়। ৪৩৩ টীকাও দেখুন।

Visitor Edits

February 14, 2026 3:55 pmPending Review
এই আয়াতে হযরত নূহ, ইব্‌রাহীম, মূসা ও ঈসা (আঃ)—এই চারজন বিশিষ্ট নবীর নাম এই জন্য উল্লেখ করা হইয়াছে যে, ইসলামপূর্ব যুগে তাহারা অতি উচ্চ পর্যায়ের আল্লাহ্‌র প্রেরিত নবীরূপে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। নূহ (আঃ) প্রকৃত অর্থে প্রথম শরীয়াতদাতা নবী ছিলেন। হযরত ইব্‌রাহীম (আঃ), মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পূর্বপুরুষ হিসাবে মূসায়ী শরীয়াত ও ইসলামী শরীয়াতের মিলন ক্ষেত্ররূপে চিহ্নিত হন। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মতই মূসা (আঃ) শরীয়াতবাহী-নবী ছিলেন। আর ঈসা (আঃ) ছিলেন বনি ইসরাঈলের শেষ নবী এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমনের অগ্রদূত ও বার্তা-বাহক। ‘তাহাদের চুক্তি-নামা’ বলিতে, ঐ নবীগণ কর্তৃক তাহাদের উচ্চ মর্যাদা অনুযায়ী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের যে প্রতিশ্রুতি তাঁহারা আল্লাহ্‌র কাছে দিয়াছিলেন তাহা বুঝায়। ৪৩৩ টীকাও দেখুন।