বর্ণিত আছে যে, নবী করীম (সাঃ) বলিয়াছেন, জান্নাতের দুইটি স্রোতস্বিনী হইল নীল (Nile) এবং ফোরাত (Euphrates) নদী (মুসলিম, বাবুল জান্নাত)। আঁ-হযরত (সাঃ) এবং তাঁহার সাহাবা কেরাম (রাঃ) জানিতেন যে, শুধু পারলৌকিক জীবনেই তাহাদিগকে ‘জান্নাত’ (বাগান)-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছিল এমন নহে, বরং ইহজীবনেও দেওয়া হইয়াছিল। তাহারা ইহাও জানিতেন যে, ইহজগতে জান্নাতের অর্থ সমৃদ্ধ এবং উর্বর ভূমি বা দেশকে বুঝায় যাহা এক সময় পারস্য এবং রোম সম্রাটগণের শাসনাধীনে ছিল। হযরত ওমর (রাঃ)-এর খেলাফত কালে মুসলিম সৈন্য বাহিনী দুই সীমান্তে যুদ্ধ করিয়াছিল,—মেসোপটেমিয়া এবং সিরীয়া সীমান্তে এবং যখন কয়েকজন আরব সর্দার তাঁহার (হযরত উমর) নিকট নিজদিগকে খেদমতের জন্য পেশ করিয়াছিল, তখন তিনি তাহাদিগকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন যে, ‘দুইটি প্রতিশ্রুত দেশ’ (মেসোপটেমিয়া অথবা সিরিয়া)-এর কোনটিতে যাওয়া তাহারা পসন্দ করে। ভবিষ্যদ্বাণীটি আক্ষরিকভাবে পূর্ণ হইয়াছিল তখন, যখন হযরত ওমর (রাঃ) সুরাক্বাহ্-বিন-মালিককে স্বর্ণ বলয় পরিধান করিতে আদেশ দান করিয়াছিলেন, যাহা ইরানের বাদশাহ্গণ বিশেষ রাষ্ট্রীয় উৎসবাদিতে পরিধান করিতেন।
১৯৪২
বর্ণিত আছে যে, নবী করীম (সাঃ) বলিয়াছেন, জান্নাতের দুইটি স্রোতস্বিনী হইল নীল (Nile) এবং ফোরাত (Euphrates) নদী (মুসলিম, বাবুল জান্নাত)। আঁ-হযরত (সাঃ) এবং তাঁহার সাহাবা কেরাম (রাঃ) জানিতেন যে, শুধু পারলৌকিক জীবনেই তাহাদিগকে ‘জান্নাত’ (বাগান)-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছিল এমন নহে, বরং ইহজীবনেও দেওয়া হইয়াছিল। তাহারা ইহাও জানিতেন যে, ইহজগতে জান্নাতের অর্থ সমৃদ্ধ এবং উর্বর ভূমি বা দেশকে বুঝায় যাহা এক সময় পারস্য এবং রোম সম্রাটগণের শাসনাধীনে ছিল। হযরত ওমর (রাঃ)-এর খেলাফত কালে মুসলিম সৈন্য বাহিনী দুই সীমান্তে যুদ্ধ করিয়াছিল,—মেসোপটেমিয়া এবং সিরীয়া সীমান্তে এবং যখন কয়েকজন আরব সর্দার তাঁহার (হযরত উমর) নিকট নিজদিগকে খেদমতের জন্য পেশ করিয়াছিল, তখন তিনি তাহাদিগকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন যে, ‘দুইটি প্রতিশ্রুত দেশ’ (মেসোপটেমিয়া অথবা সিরিয়া)-এর কোনটিতে যাওয়া তাহারা পসন্দ করে। ভবিষ্যদ্বাণীটি আক্ষরিকভাবে পূর্ণ হইয়াছিল তখন, যখন হযরত ওমর (রাঃ) সুরাক্বাহ্-বিন-মালিককে স্বর্ণ বলয় পরিধান করিতে আদেশ দান করিয়াছিলেন, যাহা ইরানের বাদশাহ্গণ বিশেষ রাষ্ট্রীয় উৎসবাদিতে পরিধান করিতেন।