এই আরবী বাচন ভঙ্গী এখানে ব্যক্ত করিতেছে যে, মানুষের এমনই অবস্থা যে মুখের কথায় সে মঙ্গলের জন্য আল্লাহ্তা’লার নিকট প্রার্থনা করে, আর প্রকৃতপক্ষে অসৎ কর্ম দ্বারা সে তাঁহার অসন্তষ্টি ও শাস্তি আকর্ষণ করে। তাহার কর্ম তাহার কথাকে মিথ্যা বলিয়া প্রতিপন্ন করে। এই আয়াতের অর্থ এরূপও করা যাইতে পারে, মানুষ অমঙ্গলকে তেমনিভাবে ডাকিয়া আনে যেমন করিয়া মঙ্গলকে তাহার আহ্বান করা উচিত। উভয় প্রকার অনুবাদই এই ভাবার্থ প্রকাশ করে যে, যখন কোন জাতি বা ব্যক্তি পার্থিব সম্পদশালী, ক্ষমতাশালী এবং প্রতাপশালী হইয়া উঠে তখন তাহারা নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলাপ্রবণ হইয়া উঠে এবং এই অবস্থাধীনে ক্ষমতা ও প্রতাপের দিনগুলিতেই তাহারা নিজেদের পতন ও মৃত্যুর ভিত্তি রচনা করে। আয়াতের ব্যাখ্যা এরূপও হইতে পারে যে, মানুষ মন্দ ও অমঙ্গলকে সেইরূপ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও পরম আগ্রহের সহিত নিজের প্রতি আকর্ষণ করিয়া থাকে যেরূপে আল্লাহ্তা’লা তাহাকে শুভ ও মঙ্গলের দিকে আহ্বান জানান। এস্থলে মঙ্গলের দিকে আহ্বান করার ক্রিয়াকে আল্লাহ্তা’লার প্রতি আরোপ করিতে হইবে।
১৫৯৭
এই আরবী বাচন ভঙ্গী এখানে ব্যক্ত করিতেছে যে, মানুষের এমনই অবস্থা যে মুখের কথায় সে মঙ্গলের জন্য আল্লাহ্তা’লার নিকট প্রার্থনা করে, আর প্রকৃতপক্ষে অসৎ কর্ম দ্বারা সে তাঁহার অসন্তষ্টি ও শাস্তি আকর্ষণ করে। তাহার কর্ম তাহার কথাকে মিথ্যা বলিয়া প্রতিপন্ন করে। এই আয়াতের অর্থ এরূপও করা যাইতে পারে, মানুষ অমঙ্গলকে তেমনিভাবে ডাকিয়া আনে যেমন করিয়া মঙ্গলকে তাহার আহ্বান করা উচিত। উভয় প্রকার অনুবাদই এই ভাবার্থ প্রকাশ করে যে, যখন কোন জাতি বা ব্যক্তি পার্থিব সম্পদশালী, ক্ষমতাশালী এবং প্রতাপশালী হইয়া উঠে তখন তাহারা নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলাপ্রবণ হইয়া উঠে এবং এই অবস্থাধীনে ক্ষমতা ও প্রতাপের দিনগুলিতেই তাহারা নিজেদের পতন ও মৃত্যুর ভিত্তি রচনা করে। আয়াতের ব্যাখ্যা এরূপও হইতে পারে যে, মানুষ মন্দ ও অমঙ্গলকে সেইরূপ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও পরম আগ্রহের সহিত নিজের প্রতি আকর্ষণ করিয়া থাকে যেরূপে আল্লাহ্তা’লা তাহাকে শুভ ও মঙ্গলের দিকে আহ্বান জানান। এস্থলে মঙ্গলের দিকে আহ্বান করার ক্রিয়াকে আল্লাহ্তা’লার প্রতি আরোপ করিতে হইবে।