যেখানে ১০৯,১১০ আয়াতে ঐ সকল লোকের কথা বলা হইয়াছে যাহারা মুর্তাদ (কুফরীতে প্রত্যাবর্তন) হইয়া যায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামের শত্রুদের দলে যোগদান করে, সেখানে বর্তমান আয়াতে ঐ সকল লোকদের কথা বলা হইয়াছে যাহাদের সম্পর্কে বিচার স্থগিত রাখা হইয়াছে (আয়াত-১০৭)। ইহাদের ব্যাপারে বিচারে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হইয়াছে যে, উহারা যদি আল্লাহ্র জন্য হিজরত করে এবং সংগ্রাম করে এবং ইসলামের জন্য সকল প্রকারের দুঃখ-কষ্ট ধৈর্যসহকারে বরদাশ্ত করে তাহা হইলে আল্লাহ্তা’লা তাহাদের পূর্বকৃত পাপসমূহ মাফ করিয়া দিবেন, নচেৎ নহে; কেননা তাহা হইলেই ইহা প্রমাণিত হইবে যে, তাহারা তাহাদের পূর্বকৃত ত্রুটিসমূহ সম্পূর্ণ সংশোধিত করিয়া লইয়াছে, সেইজন্য এই আয়াতে ব্যবহৃত জেহাদ শব্দের অর্থ ‘তলোয়ারে যুদ্ধ’ নহে, বরং ইসলামের উন্নতির জন্য চেষ্টা-সাধনা করিয়া যাওয়া।
১৫৮০
যেখানে ১০৯,১১০ আয়াতে ঐ সকল লোকের কথা বলা হইয়াছে যাহারা মুর্তাদ (কুফরীতে প্রত্যাবর্তন) হইয়া যায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামের শত্রুদের দলে যোগদান করে, সেখানে বর্তমান আয়াতে ঐ সকল লোকদের কথা বলা হইয়াছে যাহাদের সম্পর্কে বিচার স্থগিত রাখা হইয়াছে (আয়াত-১০৭)। ইহাদের ব্যাপারে বিচারে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হইয়াছে যে, উহারা যদি আল্লাহ্র জন্য হিজরত করে এবং সংগ্রাম করে এবং ইসলামের জন্য সকল প্রকারের দুঃখ-কষ্ট ধৈর্যসহকারে বরদাশ্ত করে তাহা হইলে আল্লাহ্তা’লা তাহাদের পূর্বকৃত পাপসমূহ মাফ করিয়া দিবেন, নচেৎ নহে; কেননা তাহা হইলেই ইহা প্রমাণিত হইবে যে, তাহারা তাহাদের পূর্বকৃত ত্রুটিসমূহ সম্পূর্ণ সংশোধিত করিয়া লইয়াছে, সেইজন্য এই আয়াতে ব্যবহৃত জেহাদ শব্দের অর্থ ‘তলোয়ারে যুদ্ধ’ নহে, বরং ইসলামের উন্নতির জন্য চেষ্টা-সাধনা করিয়া যাওয়া।