‘ওয়াল আরযা মাদাদনা-হা’ অর্থ ভূপৃষ্ঠকে আমরা বিস্তৃত করিয়াছি বা আমরা যমীনকে উর্বরা বা সুশোভিত করিয়াছি। উভয় অর্থই এখানে প্রযোজ্য। আয়াতের মর্ম এই যে, আল্লাহ্তা’লা এই পৃথিবীকে এত বৃহৎ বা বিস্তৃত করিয়াছেন যে, ইহা গোলাকার হওয়া সত্বেও মানুষ এই কারণে কোন অসুবিধা বোধ করে না; অথবা ইহা এই মর্ম ব্যক্ত করে যে, আল্লাহ্তা’লা যমীনকে সার দ্বারা উর্বর করিয়া সম্পদশালী করিয়াছেন অর্থাৎ সুজলা সুফলা করিয়াছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্তৃক উদঘাটিত বাস্তব ঘটনা হইল এই যে, নক্ষত্র হইতে নব নব শক্তি এবং উর্বরতা পৃথিবী লাভ করিতে থাকে। নক্ষত্ররাশি হইতে জড় পদার্থের অনু-পরমাণু উল্কাপিণ্ডের ধূলি বা গুঁড়া আকারে পতিত হয় এবং উহা পৃথিবীর উর্বরতা শক্তি রদ্ধির কাজ করে।
Visitor Edits
‘ওয়াল আরযা মাদাদনা-হা’ অর্থ ভূপৃষ্ঠকে আমরা বিস্তৃত করিয়াছি বা আমরা যমীনকে উর্বরা বা সুশোভিত করিয়াছি। উভয় অর্থই এখানে প্রযোজ্য। আয়াতের মর্ম এই যে, আল্লাহ্তা’লা এই পৃথিবীকে এত বৃহৎ বা বিস্তৃত করিয়াছেন যে, ইহা গোলাকার হওয়া সত্বেও মানুষ এই কারণে কোন অসুবিধা বোধ করে না; অথবা ইহা এই মর্ম ব্যক্ত করে যে, আল্লাহ্তা’লা যমীনকে সার দ্বারা উর্বর করিয়া সম্পদশালী করিয়াছেন অর্থাৎ সুজলা সুফলা করিয়াছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্তৃক উদঘাটিত বাস্তব ঘটনা হইল এই যে, নক্ষত্র হইতে নব নব শক্তি এবং উর্বরতা পৃথিবী লাভ করিতে থাকে। নক্ষত্ররাশি হইতে জড় পদার্থের অনু-পরমাণু উল্কাপিণ্ডের ধূলি বা গুঁড়া আকারে পতিত হয় এবং উহা পৃথিবীর উর্বরতা শক্তি রদ্ধির কাজ করে।