কুরআন মজীদে আল্লাহ্তা’লার তওহীদ বা একত্ববাদ বুঝাইতে দুইটি শব্দ ব্যবহার হইয়াছেঃ (১) আহাদ এবং (২) ওয়াহেদ ; প্রথমোক্ত শব্দ পবিত্রতাসূচক এবং ইহার দ্বারা আল্লাহ্র সম্পূর্ণ একত্ব, অদ্বিতীয়ত্ব, অতুলনীয়তা এবং অংশীহীনতা বুঝায়। ‘ওয়াহেদ’ শব্দ প্রথম বা আরম্ভ বুঝায় এবং ইহার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইত্যাদি অনুগামী রহিয়াছে। আল্লাহ্র সিফ্ত দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ্তা’লা হইলেন প্রকৃত মূল উৎস যেখান হইতে সকল সৃষ্টির উদ্ভব হইয়াছে, এবং সকল বস্তু তাঁহারই দিকে ইঙ্গিত করে— যেমন দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্বাভাবিকভাবেই প্রথমকে স্মরণ করাইয়া দেয়। কিন্তু যেখানেই কুরআন অংশীবাদিতামূলক মিথ্যার খণ্ডন করিয়াছে সেখানেই ‘আহাদ’ শব্দের ব্যবহার হইয়াছে, অর্থাৎ আল্লাহ্ যিনি এক এবং তিনি কোন সন্তানের জন্ম দেন নাই, তাঁহার কোন অংশীদার নাই (১১২ঃ২)।
Visitor Edits
কুরআন মজীদে আল্লাহ্তা’লার তওহীদ বা একত্ববাদ বুঝাইতে দুইটি শব্দ ব্যবহার হইয়াছেঃ (১) আহাদ এবং (২) ওয়াহেদ ; প্রথমোক্ত শব্দ পবিত্রতাসূচক এবং ইহার দ্বারা আল্লাহ্র সম্পূর্ণ একত্ব, অদ্বিতীয়ত্ব, অতুলনীয়তা এবং অংশীহীনতা বুঝায়। ‘ওয়াহেদ’ শব্দ প্রথম বা আরম্ভ বুঝায় এবং ইহার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইত্যাদি অনুগামী রহিয়াছে। আল্লাহ্র সিফ্ত দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ্তা’লা হইলেন প্রকৃত মূল উৎস যেখান হইতে সকল সৃষ্টির উদ্ভব হইয়াছে, এবং সকল বস্তু তাঁহারই দিকে ইঙ্গিত করে— যেমন দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্বাভাবিকভাবেই প্রথমকে স্মরণ করাইয়া দেয়। কিন্তু যেখানেই কুরআন অংশীবাদিতামূলক মিথ্যার খণ্ডন করিয়াছে সেখানেই ‘আহাদ’ শব্দের ব্যবহার হইয়াছে, অর্থাৎ আল্লাহ্ যিনি এক এবং তিনি কোন সন্তানের জন্ম দেন নাই, তাঁহার কোন অংশীদার নাই (১১২ঃ২)।