কাহারা ‘প্রেরিতগণ’ ছিলেন—এই বিষয়ে তফসীরকারকগণের মধ্যে অনেক মত-পার্থক্য রহিয়াছে। কেহ কেহ বলেন যে, তাহারা মানব ছিলেন, আবার কাহারো মতে তাহারা ফিরিশ্তা ছিলেন। পূর্ববর্তী মত প্রকৃত সত্য ও বাস্তবতার অধিকতর নিকটবর্তী বলিয়া মনে হয়। ইব্রাহীম এবং লূত (আঃ) উভয়ে সেই স্থানে বহিরাগত হওয়ার কারণে, ইহা খুবই স্বাভাবিক যে আল্লাহ্তা’লা উক্ত অঞ্চলের কিছু ধর্মপরায়ণ লোককে তাহার জাতির উপরে আযাব পতিত হওয়ার পূর্বেই লূত (আঃ)-কে নিরাপদ স্থানে পৌঁছাইয়া দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়াছিলেন। ইহাও স্মরণ রাখা দরকার যে, এই ‘প্রেরিতগণ’ শাস্তির প্রথম সতর্ককারীরূপে আগমন করেন নাই। লূত (আঃ)-এর জাতিকে বহু পূর্বে ‘আযাব’ সম্বন্ধে সাবধান করিয়া দেওয়া হইয়াছিল (১৫ঃ৬৫)। সেই ‘প্রেরিতগণ’ শুধু তাঁহাকে পূর্বের হুশিয়ারকৃত শাস্তির নির্ধারিত সময় আগত হওয়ার সংবাদ দিতে আসিয়াছিলেন।
১৩৩০
কাহারা ‘প্রেরিতগণ’ ছিলেন—এই বিষয়ে তফসীরকারকগণের মধ্যে অনেক মত-পার্থক্য রহিয়াছে। কেহ কেহ বলেন যে, তাহারা মানব ছিলেন, আবার কাহারো মতে তাহারা ফিরিশ্তা ছিলেন। পূর্ববর্তী মত প্রকৃত সত্য ও বাস্তবতার অধিকতর নিকটবর্তী বলিয়া মনে হয়। ইব্রাহীম এবং লূত (আঃ) উভয়ে সেই স্থানে বহিরাগত হওয়ার কারণে, ইহা খুবই স্বাভাবিক যে আল্লাহ্তা’লা উক্ত অঞ্চলের কিছু ধর্মপরায়ণ লোককে তাহার জাতির উপরে আযাব পতিত হওয়ার পূর্বেই লূত (আঃ)-কে নিরাপদ স্থানে পৌঁছাইয়া দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়াছিলেন। ইহাও স্মরণ রাখা দরকার যে, এই ‘প্রেরিতগণ’ শাস্তির প্রথম সতর্ককারীরূপে আগমন করেন নাই। লূত (আঃ)-এর জাতিকে বহু পূর্বে ‘আযাব’ সম্বন্ধে সাবধান করিয়া দেওয়া হইয়াছিল (১৫ঃ৬৫)। সেই ‘প্রেরিতগণ’ শুধু তাঁহাকে পূর্বের হুশিয়ারকৃত শাস্তির নির্ধারিত সময় আগত হওয়ার সংবাদ দিতে আসিয়াছিলেন।