৬৩ আয়াতের মধ্যে বলা হইয়াছিল যে, আল্লাহ্র বন্ধুগণ (আওলিয়া) কখনো শোকাভিভূত হইবে না বা হয় না, কিন্তু আঁ-হযরত (সাঃ) কে শোক বা দুঃখ করিতে বারণ করা হইয়াছে। প্রকৃতপক্ষে নবী করীম (সাঃ)-এর দুঃখ তাঁহার নিজের জন্য ছিল না, বরং অন্যান্যের জন্য ছিল। তিনি মানবজাতির জন্য ক্রন্দন করিতেন এবং শোকাভিভূত হইতেন। ১৬৬৪ টীকা দ্রষ্টব্য।
Visitor Edits
৬৩ আয়াতের মধ্যে বলা হইয়াছিল যে, আল্লাহ্র বন্ধুগণ (আওলিয়া) কখনো শোকাভিভূত হইবে না বা হয় না,কিন্তু আঁ-হযরত (সাঃ) কে শোক বা দুঃখ করিতে বারণ করা হইয়াছে । প্রকৃতপক্ষে নবী করীম (সাঃ)-এর দুঃখ তাঁহার নিজের জন্য ছিল না, বরং অন্যান্যের জন্য ছিল । তিনি মানবজাতির জন্য ক্রন্দন করিতেন এবং শোকাভিভূত হইতেন। ১৬৬৪ টীকা দ্রষ্টব্য।