৯৫৪-ক

এই আয়াতে উল্লেখিত পুনরুত্থান এবং পুনর্জীবন পরলোকে মানবের জন্য স্থিরীকৃত শেষ বিচার দিবসের পুনরুত্থান বা পুনর্জীবন নহে, বরং ইহাতে মানবের আধ্যাত্মিক পুনর্জন্ম অথবা তাহার আত্মিক চেতনা বা প্রত্যক্ষ জ্ঞানের পূর্ণতার কথাই বলা হইয়াছে। ইবলিস্ তাহাকে (মানুষকে) কেবল ততক্ষণ পথভ্রষ্ট করিতে পারে যতক্ষণ তাহার আধ্যাত্মিক পুনর্জীবন লাভ না হয়। কিন্তু একবার যখন সে আধ্যাত্মিকতার উচ্চ মার্গে উন্নীত হইয়া যায় যাহাকে ‘বাকা’ (অমরত্ব) নামে অভিহিত করা হয়, তখন ইবলিস্ তাহার আর কোন ক্ষতি সাধন করিতে পারে না (১৭ঃ৬৬)।

Visitor Edits

January 29, 2026 5:41 amApproved(Admin Modified)
এই আয়াতে উল্লেখিত পুনরুত্থান এবং পুনর্জীবন পরলোকে মানবের জন্য স্থিরীকৃত শেষ বিচার দিবসের পুনরুত্থান বা পুনর্জীবন নহে, বরং ইহাতে মানবের আধ্যাত্মিক পুনর্জন্ম অথবা তাহার আত্মিক চেতনা বা প্রত্যক্ষ জ্ঞানের পূর্ণতার কথাই বলা হইয়াছে। ইবলিস্ তাহাকে (মানুষকে) কেবল ততক্ষণ পথভ্রষ্ট করিতে পারে যতক্ষণ তাহার আধ্যাত্মিক পুনর্জীবন লাভ না হয়। কিন্তু একবার যখন সে আধ্যাত্মিকতার উচ্চ মার্গে উন্নীত হইয়া যায় যাহাকে ‘বাকা’ (অমরত্ব) নামে অভিহিত করা হয়, তখন ইবলিস্ তাহার আর কোন ক্ষতি সাধন করিতে পারে না (১৭ঃ৬৬)।