হযরত ইব্রাহীম (আঃ) আকাশে ক্রমান্বয়ে দৃশ্যমান বস্তুকে একটির পরে আর একটিকে নিজ প্রভুরূপে মনে করিয়া অবশেষে আল্লাহ্তা’লার উপর ঈমান আনিয়াছিলেন অথবা এই সকল যুক্তির অবতারনা তিনি তাঁহার জাতিকে আকাশের চন্দ্র, সূর্য ও নক্ষত্রকে খোদারূপে পূজা করার বিপথগামিতায় ত্রুটি প্রদর্শন করিবার জন্য কৌশল অবলম্বন করিয়াছিলেন কিনা সেই প্রশ্নের নিশ্চিত সমাধান বর্তমান আয়াত করিয়া দিয়াছে। এই আয়াতে ইহাই ব্যক্ত করা হইয়াছে যে, ইব্রাহীম (আঃ) প্রথম হইতেই স্পষ্টরূপে এবং অটলভাবে আল্লাহ্তা’লার একত্বে বা তৌহীদে বিশ্বাস করিতেন, এবং যাহা তিনি চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি সম্পর্কে বলিয়াছিলেন সেই সমস্ত তাঁহার যুক্তি-তর্কের অংশ মাত্র, যাহা আল্লাহ্ই তাঁহাকে শিখাইয়াছিলেন।
Visitor Edits
হযরত ইব্রাহীম (আঃ) আকাশে ক্রমান্বয়ে দৃশ্যমান বস্তুকে একটির পরে আর একটিকে নিজ প্রভুরূপে মনে করিয়া অবশেষে আল্লাহ্তা’লার উপর ঈমান আনিয়াছিলেন অথবা এই সকল যুক্তির অবতারণা তিনি তাঁহার জাতিকে আকাশের চন্দ্র, সূর্য ও নক্ষত্রকে খোদারূপে পূজা করার বিপথগামিতায় ত্রুটি প্রদর্শন করিবার জন্য কৌশল অবলম্বন করিয়াছিলেন কিনা সেই প্রশ্নের নিশ্চিত সমাধান বর্তমান আয়াত করিয়া দিয়াছে। এই আয়াতে ইহাই ব্যক্ত করা হইয়াছে যে, ইব্রাহীম (আঃ) প্রথম হইতেই স্পষ্টরূপে এবং অটলভাবে আল্লাহ্তা’লার একত্বে বা তৌহীদে বিশ্বাস করিতেন, এবং যাহা তিনি চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি সম্পর্কে বলিয়াছিলেন সেই সমস্ত তাঁহার যুক্তি-তর্কের অংশ মাত্র, যাহা আল্লাহ্ই তাঁহাকে শিখাইয়াছিলেন।