ভূগর্ভে কোন সুড়ঙ্গ অন্বেষণ করার মর্ম হইতেছে পার্থিব উপকরণ ব্যবহার করা, অর্থাৎ সত্যের প্রচার ও প্রসার করা, এবং আকাশের কোন সিঁড়ি অনুসন্ধান করার তাৎপর্য হইতেছে আধ্যাত্মিক উপায় ব্যবহার, অর্থাৎ আল্লাহ্তা’লার নিকট প্রার্থনা করা যাহাতে তিনি অবিশ্বাসীদিগকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, ইত্যাদি। আল্লাহ্র নিকট দোয়াই প্রকৃত পক্ষে ঐশী-নৈকট্য লাভের মাধ্যম বা সিঁড়ি। আঁ-হযরত (সাঃ) কে উভয় উপকরন ব্যবহারের কথাই বলা হইয়াছে। ২ঃ২৭৪ আয়াতে উল্লেখিত ‘জাহেল’ শব্দ দ্বারা ‘যে জানে না’ বা ‘যে অপরিচিত’ তাহাকে বুঝায়। নবী করীম (সাঃ)-কে এই বিষয়ে আল্লাহ্তা’লার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ না থাকার জন্য উপদেশ দেওয়া হইয়াছে। এই আয়াত রসূল আকরাম (সাঃ)-এর উম্মতের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য তাঁহার গভীর উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার ব্যাপারেও আলোকপাত করিতেছে। তিনি তাহাদিগকে নিদর্শন দেখাইবার জন্য যে কোন অবস্থার মোকাবেলা করিতে প্রস্তুত ছিলেন এমন কি ভূ-গর্ভে সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে সিঁড়ি অন্বেষণ করিতে হইলেও।
৮৪৪
ভূগর্ভে কোন সুড়ঙ্গ অন্বেষণ করার মর্ম হইতেছে পার্থিব উপকরণ ব্যবহার করা, অর্থাৎ সত্যের প্রচার ও প্রসার করা, এবং আকাশের কোন সিঁড়ি অনুসন্ধান করার তাৎপর্য হইতেছে আধ্যাত্মিক উপায় ব্যবহার, অর্থাৎ আল্লাহ্তা’লার নিকট প্রার্থনা করা যাহাতে তিনি অবিশ্বাসীদিগকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, ইত্যাদি। আল্লাহ্র নিকট দোয়াই প্রকৃত পক্ষে ঐশী-নৈকট্য লাভের মাধ্যম বা সিঁড়ি। আঁ-হযরত (সাঃ)- কে উভয় উপকরণ ব্যবহারের কথাই বলা হইয়াছে। ২ঃ২৭৪ আয়াতে উল্লেখিত ‘জাহেল’ শব্দ দ্বারা ‘যে জানে না’ বা ‘যে অপরিচিত’ তাহাকে বুঝায়। নবী করীম (সাঃ)-কে এই বিষয়ে আল্লাহ্তা’লার বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ না থাকার জন্য উপদেশ দেওয়া হইয়াছে। এই আয়াত রসূল আকরাম (সাঃ)-এর উম্মতের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য তাঁহার গভীর উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার ব্যাপারেও আলোকপাত করিতেছে। তিনি তাহাদিগকে নিদর্শন দেখাইবার জন্য যে কোন অবস্থার মোকাবেলা করিতে প্রস্তুত ছিলেন এমন কি ভূ-গর্ভে সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে সিঁড়ি অন্বেষণ করিতে হইলেও।