শাসন-ক্ষমতা বা কর্তৃত্বকে এখানে জনগণের ‘আমানত’ বলা হইয়াছে। ইহাদ্বারা এই কথাই বুঝানো হইয়াছে যে, আমানতের অধিকর্তা হইল জনগণ, কোন ব্যক্তি বা বাদশাহ বা বংশ বিশেষ নহে। কুরআন কোন নির্দিষ্ট বংশদ্বারা দেশ-শাসন, কিংবা বংশানুক্রমিক শাসন ক্ষমতা প্রয়োগ সমর্থন করে না। বরং ইহার বিপরীত জনগণের প্রতিনিধির দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনাকেই অনুমোদন করে। রাষ্ট্রের প্রধান হইবেন নির্বাচিত ব্যক্তি। আর ঐ পদে নির্বাচনের জন্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিকে ভোট দিবার নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে। কিন্তু ইসলাম পদের আকাঙ্খা করিতে নিষেধ করিয়াছে (বুখারীঃকিতাবুল আহকাম)।
Visitor Edits
শাসন-ক্ষমতা বা কর্তৃত্বকে এখানে জনগণের ‘আমানত’ বলা হইয়াছে। ইহাদ্বারা এই কথাই বুঝানো হইয়াছে যে, আমানতের অধিকর্তা হইল জনগণ; কোন ব্যক্তি বা বাদ্শাহ্ বা বংশ বিশেষ নহে। কুরআন কোন নির্দিষ্ট বংশদ্বারা দেশ-শাসন, কিংবা বংশানুক্রমিক শাসন ক্ষমতা প্রয়োগ সমর্থন করে না। বরং ইহার বিপরীত জনগণের প্রতিনিধির দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনাকেই অনুমোদন করে। রাষ্ট্রের প্রধান হইবেন নির্বাচিত ব্যক্তি। আর ঐ পদে নির্বাচনের জন্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিকে ভোট দিবার নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে। কিন্তু ইসলাম পদের আকাঙ্খা করিতে নিষেধ করিয়াছে (বুখারীঃকিতাবুল আহ্কাম)।