৬১২

রুগ্ন, ভ্রমণরত, শৌচাগার হইতে প্রত্যাগত,স্ত্রী-স্পর্শ হইতে প্রত্যাগত—এই চার শ্রেণীর মধ্যে, শেষোক্ত দুই শ্রেণী যখন অশূচী অবস্থায় থাকে, তখন তাহাদের নিজেদেরকে অবস্থানুযায়ী ধৌত করিতে হয় বা গোসল করিতে হয়। কিন্তু পানির অভাবে বা পানির দুষ্‌প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে, তাহারা তায়াম্মুম করিতে পারে। তবে প্রথম দুই শ্রেণীর লোক, পানি পাওয়া-না-পাওয়ার শর্ত ব্যতিরেকেই তায়াম্মুম করিতে পারে। এইজন্যই, “তোমরা পীড়িত থাক বা সফরে থাক” কথাটির পরে “অপবিত্র অবস্থায়” শব্দ দুইটি ব্যবহার করা হইয়াছে। এখানে “সফরে থাক” এবং “তোমরা মোসাফের অবস্থায় থাক”, এই দুইটি বাক্যাংশই সমার্থক, অর্থাৎ ‘সফরের অবস্থায় থাক’। ধূলিকে পানির স্থলবর্তী করা হইয়াছে। কারণ, পানি যেমন মানুষকে তাহার সৃষ্টির মূল উপাদানের কথা স্বরণ করাইয়া দেয় এবং তাহার নগণ্য উৎপত্তির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে (৭৭ঃ২১), তেমনি ধূলিও তাহাকে তাহার সৃষ্টির দ্বিতীয় নগণ্য উপাদানটির কথা স্বরণ করাইয়া দেয় (৩০ঃ২১)।

Visitor Edits

January 22, 2026 1:07 pmPending Review
রুগ্ন, ভ্রমণরত, শৌচাগার হইতে প্রত্যাগত,স্ত্রী-স্পর্শ হইতে প্রত্যাগত—এই চার শ্রেণীর মধ্যে, শেষোক্ত দুই শ্রেণী যখন অশূচী অবস্থায় থাকে, তখন তাহাদের নিজেদেরকে অবস্থানুযায়ী ধৌত করিতে হয় বা গোসল করিতে হয়। কিন্তু পানির অভাবে বা পানির দুষ্‌প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে, তাহারা ‘তায়াম্মুম’ করিতে পারে। তবে প্রথম দুই শ্রেণীর লোক, পানি পাওয়া-না-পাওয়ার শর্ত ব্যতিরেকেই তায়াম্মুম করিতে পারে। এইজন্যই, “তোমরা পীড়িত থাক বা সফরে থাক” কথাটির পরে “অপবিত্র অবস্থায়” শব্দ দুইটি ব্যবহার করা হইয়াছে। এখানে “সফরে থাক” এবং “তোমরা মোসাফের অবস্থায় থাক”, এই দুইটি বাক্যাংশই সমার্থক; অর্থাৎ ‘সফরের অবস্থায় থাক’। ধূলিকে পানির স্থলবর্তী করা হইয়াছে। কারণ, পানি যেমন মানুষকে তাহার সৃষ্টির মূল উপাদানের কথা স্বরণ করাইয়া দেয় এবং তাহার নগণ্য উৎপত্তির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে (৭৭ঃ২১), তেমনি ধূলিও তাহাকে তাহার সৃষ্টির দ্বিতীয় নগণ্য উপাদানটির কথা স্বরণ করাইয়া দেয় (৩০ঃ২১)।