২২৩

‘উদওয়ান’ অর্থ(১) শত্রুতা (২) অন্যায় আচরণ (৩) অন্যায় আচরণের শাস্তি এবং (৪) কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বুঝাইয়া দিবার জন্য তাহার কাছে যাওয়া (মুফরাদাত, লেইন)। ১৯১ নং আয়াত হইতে ১৯৪ নং আয়াত পর্যন্ত চারটি আয়াত, যুদ্ধের নিম্নলিখিত নিয়ম-কানুন নির্ধারিত করিয়া দিয়াছেঃ- (ক) যুদ্ধ কেবল মাত্র আল্লাহ্‌তা’লার খাতিরেই করা যাইতে পারে, আত্ম-স্বার্থ, ক্ষমতা ও সম্পদ বৃদ্ধি, জাতীয় স্বার্থের সম্প্রসারণ ইত্যাদি কারণে নহে, (খ) আক্রমণকারীকে প্রতিহত করার জন্যই কেবল মুসলমানেরা যুদ্ধ করিতে পারে, নিজেরা প্রথম আক্রমণকারী হইতে পারে না, (গ) যদিও শত্রুরা প্রথম আক্রমণ করিয়াছে, তথাপি মুসলমানেরা যুদ্ধকে সীমাবদ্ধ রাখিতে আদিষ্ট হইয়াছে এবং উদ্দেশ্য সিদ্ধ হওয়া মাত্র (অর্থাৎ শত্রুরা পরাজিত কিংবা সন্ধিবদ্ধ কিংবা প্রতিহত হওয়া মাত্র) যুদ্ধ বন্ধ করিতে আদিষ্ট হইয়াছে, (ঘ) তাহারা কেবল শত্রু পক্ষের যোদ্ধাদের সঙ্গেই যুদ্ধ করিবে, কিন্তু বেসামরিক ব্যক্তিদেরকে আক্রমণ কিংবা অপমান করিতে পারিবে না, (ঙ) যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কোন বাধা সৃষ্টি করা যাইবে না, (চ) ধর্মীয় তীর্থ স্থান আক্রমণ করা কিংবা ঐগুলির কোনও রূপ ক্ষতিসাধন করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, এমনকি ঐ সকল স্থানের আশে পাশে যুদ্ধ করাও নিষিদ্ধ, (ছ) যদি শত্রুরা তাহাদের ধর্মীয় স্থানে অবস্থান নিয়া আক্রমণ চালায়, কেবল মাত্র তখনই মুসলমানেরা সেখানে যুদ্ধ করিতে পারিবে এবং (জ) যুদ্ধ ততক্ষণই চালাইয়া যাইবার অনুমতি আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত ধর্মীয় ব্যাপারে জবরদস্তি ও হস্তক্ষেপ বন্ধ না হইবে। ধর্মের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠামাত্র যুদ্ধ থামাইতে হইবে (দেখুন ৮ঃ৪০, ৯ঃ৪-৬, ২২ঃ৪০-৪১ ইত্যাদি)।

Visitor Edits

February 15, 2026 3:49 amPending Review
‘উদওয়ান’ অর্থ(১) শত্রুতা (২) অন্যায় আচরণ (৩) অন্যায় আচরণের শাস্তি এবং (৪) কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বুঝাইয়া দিবার জন্য তাহার কাছে যাওয়া (মুফরাদাত, লেইন)। ১৯১ নং আয়াত হইতে ১৯৪ নং আয়াত পর্যন্ত চারটি আয়াত, যুদ্ধের নিম্নলিখিত নিয়ম-কানুন নির্ধারিত করিয়া দিয়াছেঃ- (ক) যুদ্ধ কেবল মাত্র আল্লাহ্‌ তালার খাতিরেই করা যাইতে পারে, আত্ম-স্বার্থ, ক্ষমতা ও সম্পদ বৃদ্ধি, জাতীয় স্বার্থের সম্প্রসারণ ইত্যাদি কারণে নহে, (খ) আক্রমণকারীকে প্রতিহত করার জন্যই কেবল মুসলমানেরা যুদ্ধ করিতে পারে, নিজেরা প্রথম আক্রমণকারী হইতে পারে না, (গ) যদিও শত্রুরা প্রথম আক্রমণ করিয়াছে, তথাপি মুসলমানেরা যুদ্ধকে সীমাবদ্ধ রাখিতে আদিষ্ট হইয়াছে এবং উদ্দেশ্য সিদ্ধ হওয়া মাত্র (অর্থাৎ শত্রুরা পরাজিত কিংবা সন্ধিবদ্ধ কিংবা প্রতিহত হওয়া মাত্র) যুদ্ধ বন্ধ করিতে আদিষ্ট হইয়াছে, (ঘ) তাহারা কেবল শত্রু পক্ষের যোদ্ধাদের সঙ্গেই যুদ্ধ করিবে, কিন্তু বেসামরিক ব্যক্তিদেরকে আক্রমণ কিংবা অপমান করিতে পারিবে না, (ঙ) যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কোন বাধা সৃষ্টি করা যাইবে না, (চ) ধর্মীয় তীর্থ স্থান আক্রমণ করা কিংবা ঐগুলির কোনও রূপ ক্ষতিসাধন করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, এমনকি ঐ সকল স্থানের আশে পাশে যুদ্ধ করাও নিষিদ্ধ, (ছ) যদি শত্রুরা তাহাদের ধর্মীয় স্থানে অবস্থান নিয়া আক্রমণ চালায়, কেবল মাত্র তখনই মুসলমানেরা সেখানে যুদ্ধ করিতে পারিবে এবং (জ) যুদ্ধ ততক্ষণই চালাইয়া যাইবার অনুমতি আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত ধর্মীয় ব্যাপারে জবরদস্তি ও হস্তক্ষেপ বন্ধ না হইবে। ধর্মের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠামাত্র যুদ্ধ থামাইতে হইবে (দেখুন ৮ঃ৪০, ৯ঃ৪-৬, ২২ঃ৪০-৪১ ইত্যাদি)।