এই আয়াতের তাৎপর্য ইহা নয় যে, রসূলে করীম (সাঃ)-এর সময়ে তওরাত যে অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থায়ই ইহা বিবাদ মীমাংসার জন্য আল্লাহ্র বিচার-বাণীরূপে ব্যবহারযোগ্য ছিল। কুরআন শুধু এতটুক বলিতে চায় যে,তওরাতের সম্বন্ধে ইহুদীদের ধারণা এইরূপ ছিল। তবে এই কথাও বলা প্রয়োজন যে, তওরাতের বর্তমান অবস্থায় ইহা সম্পূর্ণরূপে সত্য বিবর্জিত, তাহাও কুরআন মনে করে না। কুরআনের মতে, তওরাতে মানুষের ব্যাপক হস্তক্ষেপ হওয়া সত্বেও ইহাতে কতকগুলি সত্য কথা মৌলিক ও সাবেক আকারে বিদ্যমান রহিয়াছ (২ঃ৭৯)। এই আয়াতটি ইহাও ব্যক্ত করে যে, তওরাত ইহার মৌলিক আকার ও পবিত্রতায়, বনী ইস্রাঈল জাতির জন্য সীমাবদ্ধ সময় পর্যন্ত সত্য ধর্মগ্রন্থরূপে ঠিক ছিল। কিন্তু কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার পর, ইহাই হইল সর্বকালের সর্ব মানবের জন্য একমাত্র আল্লাহ্ অনুমোদিত ধর্মগ্রন্থ।
Visitor Edits
এই আয়াতের তাৎপর্য ইহা নয় যে, রসূলে করীম (সাঃ)-এর সময়ে তওরাত যে অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থায়ই ইহা বিবাদ মীমাংসার জন্য আল্লাহ্র বিচার-বাণীরূপে ব্যবহারযোগ্য ছিল। কুরআন শুধু এতটুক বলিতে চায় যে,তওরাতের সম্বন্ধে ইহুদীদের ধারণা এইরূপ ছিল। তবে এই কথাও বলা প্রয়োজন যে, তওরাতের বর্তমান অবস্থায় ইহা সম্পূর্ণরূপে সত্য বিবর্জিত, তাহাও কুরআন মনে করে না। কুরআনের মতে, তওরাতে মানুষের ব্যাপক হস্তক্ষেপ হওয়া সত্বেও ইহাতে কতকগুলি সত্য কথা মৌলিক ও সাবেক আকারে বিদ্যমান রহিয়াছ (২ঃ৭৯)। এই আয়াতটি ইহাও ব্যক্ত করে যে, তওরাত ইহার মৌলিক আকার ও পবিত্রতায়, বনী ইস্রাঈল জাতির জন্য সীমাবদ্ধ সময় পর্যন্ত সত্য ধর্মগ্রন্থরূপে ঠিক ছিল। কিন্তু কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার পর, ইহাই হইল সর্বকালের সর্ব মানবের জন্য একমাত্র আল্লাহ্ অনুমোদিত ধর্মগ্রন্থ।