৫৬৪

এই আয়াতটি একাধারে বরের উপর এবং কন্যার অভিভাবকের উপর প্রযোজ্য। কন্যার অভিভাবক বা আত্মীয়দের উপর প্রয়োগে ইহার অর্থ হইবে তাহারা যেন নিজের প্রয়োজন মিটাইবার জন্য কন্যার মহরানার টাকা হইতে কিছুই খরচ না করে, বরং সাকল্যটাই কন্যার হাতে অর্পণ করে। প্রাথমিকভাবে আয়াতটি স্বামীর উপরই প্রযোজ্য। স্বামী যাহাতে চুক্তি ও অঙ্গীকার মোতাবেক মহরানার টাকাটা স্ত্রীকে স্বেচ্ছায় বিনাদ্বিধায় ও সন্তুষ্ট চিত্তে প্রদান করে, আয়াতটিতে সেই নির্দেশই দেওয়া হইয়াছে। ‘স্বেচ্ছায় মহরানার অর্থ প্রদান কর’ বাক্যটি এই কথার দিকে ইঙ্গিত করে যে, মহরানার অঙ্ক যেন স্বামীর সামর্থ্যের সীমার বাহিরে না হয় এবং ইহা পরিশোধ করিতে স্বামীর যেন প্রাণান্তকর অবস্থার সৃষ্টি না হয়, বরং স্বেচ্ছায় ও সানন্দে পরিশোধ করিতে পারে।

Visitor Edits

January 20, 2026 4:14 amApproved(Admin Modified)
এই আয়াতটি একাধারে বরের উপর এবং কন্যার অভিভাবকের উপর প্রযোজ্য। কন্যার অভিভাবক বা আত্মীয়দের উপর প্রয়োগে ইহার অর্থ হইবে তাহারা যেন নিজের প্রয়োজন মিটাইবার জন্য কন্যার মহরানার টাকা হইতে কিছুই খরচ না করে, বরং সাকল্যটাই কন্যার হাতে অর্পণ করে। প্রাথমিকভাবে আয়াতটি স্বামীর উপরই প্রযোজ্য। স্বামী যাহাতে চুক্তি ও অঙ্গীকার মোতাবেক মহরানার টাকাটা স্ত্রীকে স্বেচ্ছায় বিনাদ্বিধায় ও সন্তুষ্ট চিত্তে প্রদান করে, আয়াতটিতে সেই নির্দেশই দেওয়া হইয়াছে। ‘স্বেচ্ছায় মহরানার অর্থ প্রদান কর’ বাক্যটি এই কথার দিকে ইঙ্গিত করে যে, মহরানার অঙ্ক যেন স্বামীর সামর্থ্যের সীমার বাহিরে না হয় এবং ইহা পরিশোধ করিতে স্বামীর যেন প্রাণান্তকর অবস্থার সৃষ্টি না হয়, বরং স্বেচ্ছায় ও সানন্দে পরিশোধ করিতে পারে।