৫৪৭

যে মহাসংবদ্ধ বিশ্বজগতের দিকে পূর্ব-আয়াতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হইয়াছে, তাহা নিশ্চয় কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ব্যতীত খামখেয়ালী ভাবে সৃষ্টি করা হয় নাই। মানুষকে কেন্দ্র করিয়া, এই বিশাল জগৎ ও তদস্থিত সব কিছুর সৃষ্টি মানুষকে এক মহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে এবং সাথে সাথে, তাহাকে সৃষ্টি করার বিরাট উদ্দেশ্য সম্বন্ধেও তাহাকে সচেতন করিয়া তুলে। মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীর মধ্যে যখন আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবলী ও তাৎপর্য সম্বন্ধে মানুষ স্বীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রসারিত করে, তখন ইহার সংবদ্ধতা, সংযোগ ও শৃঙ্খলার পরিপূর্ণতা তথা স্রষ্টার অপরিসীম প্রজ্ঞা দ্বারা সে এতই অভিভূত হইয়া পড়ে যে, তাহার সত্তার গভীরতম স্থল হইতে এই বাক্য উৎসারিত হইয়া যায়, “হে আমাদের প্রভু! এই অন্তহীন মহাবিশ্ব নিশ্চয়ই তুমি বৃথা সৃষ্টি কর নাই”।

Visitor Edits

January 19, 2026 7:31 pmPending Review
যে মহাসংবদ্ধ বিশ্বজগতের দিকে পূর্ব-আয়াতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হইয়াছে, তাহা নিশ্চয় কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ব্যতীত খাম-খেয়ালী ভাবে সৃষ্টি করা হয় নাই। মানুষকে কেন্দ্র করিয়া, এই বিশাল জগৎ ও তদস্থিত সব কিছুর সৃষ্টি মানুষকে এক মহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে এবং সাথে সাথে, তাহাকে সৃষ্টি করার বিরাট উদ্দেশ্য সম্বন্ধেও তাহাকে সচেতন করিয়া তুলে। মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীর মধ্যে যখন আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবলী ও তাৎপর্য সম্বন্ধে মানুষ স্বীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রসারিত করে, তখন ইহার সংবদ্ধতা, সংযোগ ও শৃঙ্খলার পরিপূর্ণতা তথা স্রষ্টার অপরিসীম প্রজ্ঞা দ্বারা সে এতই অভিভূত হইয়া পড়ে যে, তাহার সত্তার গভীরতম স্থল হইতে এই বাক্য উৎসারিত হইয়া যায়, “হে আমাদের প্রভু! এই অন্তহীন মহাবিশ্ব নিশ্চয়ই তুমি বৃথা সৃষ্টি কর নাই ।”