রসূলে করীম (সাঃ)-এর সময়ে ইহুদীদের একটি কদাচার এই ছিল যে, তাহারা এমনিভাবে উচ্চারণ ও ভঙ্গি করিয়া হিব্রু বাক্যমালা পাঠ করিত বা উদ্ধৃত করিত, যাহাতে শ্রোতৃমণ্ডলী মনে করিত তাহারা তওরাত পাঠ করিতেছে। অথচ এই বাক্যমালা বা পঠিত অংশ মোটেই তওরাতের অংশ ছিল না। এই আয়াতে ইহুদীদের সেই মিথ্যা ও কদাচারের কথা বলা হইয়াছে। ‘কিতাব’ শব্দটি এখানে তিনবার ব্যবহাত হইয়াছে। প্রথমবার ‘হিব্রুভাষার পুস্তকাংশ’ অর্থে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার ‘তওরাত’ অর্থে। হিব্রু ভাষার পুস্তকাংশকে ‘গ্রন্থ’ নামে অভিহিত করিবার কারণ এই যে, ইহুদীরা ইহাকে তওরাত পাঠ নামেই চালাইয়া দিতে চাহিত।
Visitor Edits
রসূলে করীম (সাঃ)-এর সময়ে ইহুদীদের একটি কদাচার এই ছিল যে, তাহারা এমনিভাবে উচ্চারণ ও ভঙ্গি করিয়া হিব্রু বাক্যমালা পাঠ করিত বা উদ্ধৃত করিত, যাহাতে শ্রোতৃমণ্ডলী মনে করিত তাহারা তওরাত পাঠ করিতেছে। অথচ এই বাক্যমালা বা পঠিত অংশ মোটেই তওরাতের অংশ ছিল না। এই আয়াতে ইহুদীদের সেই মিথ্যা ও কদাচারের কথা বলা হইয়াছে। ‘কিতাব’ শব্দটি এখানে তিনবার ব্যবহাত হইয়াছে। প্রথমবার ‘হিব্রুভাষার পুস্তকাংশ’ অর্থে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার ‘তওরাত’ অর্থে। হিব্রু ভাষার পুস্তকাংশকে ‘গ্রন্থ’ নামে অভিহিত করিবার কারণ এই যে, ইহুদীরা ইহাকে তওরাত পাঠ নামেই চালাইয়া দিতে চাহিত।