আরবী ভাষায় ‘বা’ অব্যয়টি নানা অর্থে ব্যবহৃত হইয়া থাকে; এখানে ‘সহিত’ অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। ‘বা’ + ‘ইসম’ মিলিয়া, গঠিত যুগ্ম শব্দ ‘বিস্‌মে’, যাহার অর্থ ‘নামের সহিত’। আরবী বাক্‌ধারা অনুযায়ী, ‘বিস্‌মিল্লাহ্’ কথাটির পূর্বে কিছু কথা উহ্য রহিয়াছে- যেমন ‘ইক্‌রা’ (পড়) ‘আক্‌রাউ’ (আমি পড়ি), ‘নাকরাউ’ (আমরা পড়ি); কিংবা ‘ইশ্‌রা’ (শুরু কর); ‘আশ্‌রাউ’ (আমি শুরু করি), ‘নাশরাউ’ (আমরা শুরু করি)। অতএব, উহ্য শব্দগুলিকে লইয়া ‘বিসমিল্লাহ্’র অর্থ ‘আল্লাহ্‌র নামের সহিত বা আল্লাহ্‌র নামে পড় অথবা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া পড়’, ‘আমি বা আমরা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া পড়ি’, ‘আমি বা আমরা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া আরম্ভ করি।’ ‘বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম’ এর নিকটতম অর্থ প্রকাশক বাংলা অনুবাদ হইবে, ‘আল্লাহ্‌র নাম লইয়া (আরম্ভ করিতেছি) যিনি অযাচিত-অসীম দাতা এবং পুনঃ পুনঃ দয়া প্রদর্শনকারী, বার বার রহমকারী, পরম দয়াময়’ (বাহ্‌রে মুহীত, ফাত্‌হুল বায়ান)।

Visitor Edits

January 24, 2026 6:41 amPending Review
আরবী ভাষায় ‘বা’ অব্যয়টি নানা অর্থে ব্যবহৃত হইয়া থাকে; এখানে ‘সহিত’ অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। ‘বা’ + ‘ইসম’ মিলিয়া, গঠিত যুগ্ম শব্দ ‘বিস্‌মে’, যাহার অর্থ ‘নামের সহিত’। আরবী বাক্‌ধারা অনুযায়ী, ‘বিস্‌মিল্লাহ্’ কথাটির পূর্বে কিছু কথা উহ্য রহিয়াছে- যেমন ‘ইক্‌রা’ (পড়) ‘আক্‌রাউ’ (আমি পড়ি), ‘নাকরাউ’ (আমরা পড়ি); কিংবা ‘ইশ্‌রা’ (শুরু কর); ‘আশ্‌রাউ’ (আমি শুরু করি), ‘নাশরাউ’ (আমরা শুরু করি)। অতএব, উহ্য শব্দগুলিকে লইয়া ‘বিসমিল্লাহ্’র অর্থ ‘আল্লাহ্‌র নামের সহিত বা আল্লাহ্‌র নামে পড় অথবা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া পড়’, ‘আমি বা আমরা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া পড়ি’, ‘আমি বা আমরা আল্লাহ্‌র নাম লইয়া আরম্ভ করি।’ ‘বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম’ এর নিকটতম অর্থ প্রকাশক বাংলা অনুবাদ হইবে, ‘আল্লাহ্‌র নাম লইয়া (আরম্ভ করিতেছি) যিনি অযাচিত-অসীম দাতা এবং পুনঃ পুনঃ দয়া প্রদর্শনকারী, বার বার রহমকারী, পরম দয়াময়’ (বাহ্‌রে মুহীত, ফাত্‌হুল বায়ান)।