৩৩৭৬

বাস্তবতার নিরিখে যেমন, মহানবী (সাঃ) এতীম ছিলেন, তেমনি এতিমের জন্য ছিলেন আদর্শ। তাঁহার এতীমাবস্থা ছিল চরম পর্যায়ের। পিতা মারা গেলেন জন্মের পূর্বেই, মাতা মারা গেলেন ষষ্ঠ বৎসরের সময়। আর দাদা আব্দুল মোত্তালিব, যিনি মাতৃহীন নাতির অভিভাকত্ব কাঁধে নিলেন তিনিও চলিয়া গেলেন মাত্র দুই বৎসর পরেই। অতঃপর গরীব চাচার উপরেই পড়িল তাঁহার লালন-পালনের ভার। পিতা-মাতার স্নেহ-বঞ্চিত ছিলেন বালক মুহাম্মদ (সাঃ)। পরে যিনি সকলের সহায় হইলেন, তিনি তাঁহার নিজের শৈশব-কৈশোরে ছিলেন কি নিদারুনভাবে অসহায়! তথাপি তিনি ছোট-বড় সকলের স্নেহ ভালবাসা পাইয়াছিলেন; সঙ্গী-সাথী, সববয়স্কদের সকলের কাছে তিনি ছিলেন অতি আদরের বিশ্বস্ত বন্ধু। নিজের জীবদ্দশায় যে অসীম ভক্তি-শ্রদ্ধা ও ভালবাসা তিনি পাইয়াছেন, উহার তুলনা মানবেতিহাসে খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না। তাহার তিরোধানের শত শত বৎসর পরেও কোটি কোটি মানুষের মনের মনিকোঠায় তিনি যে শ্রদ্ধার ও ভালবাসার স্থায়ী আসন লাভ করিয়াছেন ও করিয়া যাইতেছেন, নারীর জঠরে জন্মগ্রহণকারী কোন মানুষ তাহা অতীতেও পায় নাই, ভবিষ্যতেও পাইবে না।

Visitor Edits

January 27, 2026 5:21 pmApproved(Admin Modified)
বাস্তবতার নিরিখে যেমন, মহানবী (সাঃ) এতীম ছিলেন, তেমনি এতিমের জন্য ছিলেন আদর্শ। তাঁহার এতীমাবস্থা ছিল চরম পর্যায়ের। পিতা মারা গেলেন জন্মের পূর্বেই, মাতা মারা গেলেন ষষ্ঠ বৎসরের সময়। আর দাদা আব্দুল মোত্তালিব, যিনি মাতৃহীন নাতির অভিভাকত্ব কাঁধে নিলেন তিনিও চলিয়া গেলেন মাত্র দুই বৎসর পরেই। অতঃপর গরীব চাচার উপরেই পড়িল তাঁহার লালন-পালনের ভার। পিতা-মাতার স্নেহ-বঞ্চিত ছিলেন বালক মুহাম্মদ (সাঃ)। পরে যিনি সকলের সহায় হইলেন, তিনি তাঁহার নিজের শৈশব-কৈশোরে ছিলেন কি নিদারুনভাবে অসহায়! তথাপি তিনি ছোট-বড় সকলের স্নেহ ভালবাসা পাইয়াছিলেন; সঙ্গী-সাথী, সববয়স্কদের সকলের কাছে তিনি ছিলেন অতি আদরের বিশ্বস্ত বন্ধু। নিজের জীবদ্দশায় যে অসীম ভক্তি-শ্রদ্ধা ও ভালবাসা তিনি পাইয়াছেন, উহার তুলনা মানবেতিহাসে খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না। তাহার তিরোধানের শত শত বৎসর পরেও কোটি কোটি মানুষের মনের মনিকোঠায় তিনি যে শ্রদ্ধার ও ভালবাসার স্থায়ী আসন লাভ করিয়াছেন ও করিয়া যাইতেছেন, নারীর জঠরে জন্মগ্রহণকারী কোন মানুষ তাহা অতীতেও পায় নাই, ভবিষ্যতেও পাইবে না।