এত সযত্নে লালিত মানুষের দেহ-মন্দির অবশ্য পচিয়া গলিয়া বিচ্ছিন্ন হইয়া যায়, তবে তাহাতেই জীবনের অবসান হইয়া যায় না। যাহাকে আমরা মৃত্যু বলি, তাহা জীবনের শুধু অবস্থা বা রূপ পরিবর্তনের অপর এক নাম। মানুষের আত্মা তাহার দেহ নামক বাসস্থান হইতে উড়িয়া গেলে, ইহাকে নূতন দেহ পরানো হয়, যাহা সর্বতোভাবে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং রূপও ধারণ করে। তবে ঐ রূপের পরিচয় লাভ কিংবা ইহার সম্বন্ধে ধারণা করা মানুষের পক্ষে ইহকালীন জীবনে সম্ভব নহে।
Visitor Edits
এত সযত্নে লালিত মানুষের দেহ-মন্দির অবশ্য পচিয়া গলিয়া বিচ্ছিন্ন হইয়া যায়, তবে তাহাতেই জীবনের অবসান হইয়া যায় না। যাহাকে আমরা মৃত্যু বলি, তাহা জীবনের শুধু অবস্থা বা রূপ পরিবর্তনের অপর এক নাম। মানুষের আত্মা তাহার দেহ নামক বাসস্থান হইতে উড়িয়া গেলে, ইহাকে নূতন দেহ পরানো হয়, যাহা সর্বতোভাবে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং ‘রূপও’ ধারণ করে। তবে ঐ রূপের পরিচয় লাভ কিংবা ইহার সম্বন্ধে ধারণা করা মানুষের পক্ষে ইহকালীন জীবনে সম্ভব নহে।