মদীনার পাশাপাশি বেদুঈন গোত্রগুলিকে আমন্ত্রণ জানানো হইয়াছিল, তাহারাও যেন মক্কায় ‘উমরাহ’পালনের জন্য ১৫০০ মুসলমানের দলের সহিত শামিল হয়। কেননা এই প্রতিবেশী গোত্রগুলির সহিত মুসলমানের সম্পর্ক ভাল ছিল। যদিও মহানবী (সাঃ) নিছক শান্তিময় উদ্দেশ্য নিয়া রওয়ানা হইলেন, তথাপি মরু-গোত্রের লোকেরা ভাবিল যে, কুরায়শরা কখনও মুসলমানদিগকে মক্কায় প্রবেশ করিতে দিবে না। এই কারণে যুদ্ধ বাধিয়া যাওয়াও বিচিত্র নয়। মুসলমানরা যুদ্ধাস্ত্র বড় একটা সাথে নিতেছে না; যুদ্ধ বাধিয়া গেলে অস্ত্রহীন মুসলমানের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। এমতাবস্থায়, তাহারা ভাবিল, মহানবী (সাঃ)-এর সাথে গোত্রগুলির সঙ্গ দান তাহাদের নিজেদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলিয়া দেওয়ার শামিল হইবে (মূইর ও কাসীর)। এই আয়াতটি, তাবুকের যুদ্ধের সময়ে যে গোত্রগুলি মুসলমানের সহিত যোগদানের পরিবর্তে পিছনে থাকিয়া গিয়াছিল, তাহাদের সম্বন্ধেও হইতে পারে। কেননা, সূরা ‘তাওবাতে’ তাহাদের সম্বন্ধে একই ধরণের শব্দাবলীই ব্যবহৃত হইয়াছে।
২৭৭০
মদীনার পাশাপাশি বেদুঈন গোত্রগুলিকে আমন্ত্রণ জানানো হইয়াছিল, তাহারাও যেন মক্কায় ‘উমরাহ’পালনের জন্য ১৫০০ মুসলমানের দলের সহিত শামিল হয়। কেননা এই প্রতিবেশী গোত্রগুলির সহিত মুসলমানের সম্পর্ক ভাল ছিল। যদিও মহানবী (সাঃ) নিছক শান্তিময় উদ্দেশ্য নিয়া রওয়ানা হইলেন, তথাপি মরু-গোত্রের লোকেরা ভাবিল যে, কুরায়শরা কখনও মুসলমানদিগকে মক্কায় প্রবেশ করিতে দিবে না। এই কারণে যুদ্ধ বাধিয়া যাওয়াও বিচিত্র নয়। মুসলমানরা যুদ্ধাস্ত্র বড় একটা সাথে নিতেছে না; যুদ্ধ বাধিয়া গেলে অস্ত্রহীন মুসলমানের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। এমতাবস্থায়, তাহারা ভাবিল, মহানবী (সাঃ)-এর সাথে গোত্রগুলির সঙ্গ দান তাহাদের নিজেদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলিয়া দেওয়ার শামিল হইবে (মূইর ও কাসীর)। এই আয়াতটি, তাবুকের যুদ্ধের সময়ে যে গোত্রগুলি মুসলমানের সহিত যোগদানের পরিবর্তে পিছনে থাকিয়া গিয়াছিল, তাহাদের সম্বন্ধেও হইতে পারে। কেননা, সূরা ‘তাওবাতে’ তাহাদের সম্বন্ধে একই ধরণের শব্দাবলীই ব্যবহৃত হইয়াছে।