‘কুরূ’ ‘কুর বা কার’ শব্দের বহুবচন, যাহার অর্থ একটি সময়-সীমা ; ঋতুস্রাবকাল; ঋতুস্রাবকালীন সময়ের পূর্ববতী বা পরবর্তী সুস্থাবস্থা ; ঋতুস্রাবের অবসান ; ঋতুস্রাব ও সুস্থাবস্থার যুগ্ন সময় অর্থাৎ পূর্ণ এক মাস; যে সময়ে সুস্থাবস্থা হইতে স্ত্রীলোকেরা ঋতুস্রাবের অবস্থায় প্রবেশ করে (মুহীত ও মুফরাদাত)। নবী করীম (সাঃ)-এর সাহাবীগণের মধ্যে হযরত আবুবকর ও হযরত উমর (রাঃ) এবং ইসলামী আইন-বিদ ইমামগণের মধ্যে হযরত আবু হানিফা ও হযরত আহমদ বিন হাম্বল ‘কুর’ বলিতে ঋতুস্রাবের সময়টিকে বুঝিতেন। অন্যদিকে হযরত আয়েশা ও ইবনে উমর (রাঃ) এবং ইমাম মালিক ও ইমাম শাফিই ঋতু-স্রাব-কাল বাদ দিয়া সুস্থাবস্থার সময়টাকে ‘কুর’ মনে করিতেন। উভয়দিকে সম-ওজনের অভিমত থাকায়, মুসলমানের পক্ষে যে কোন অভিমত গ্রহণযোগ্য। তবে সব কিছু মিলাইয়া যুক্তি-তর্কগুলিকে একত্র করিয়া দেখিলে (সেগুলির উপস্থাপন এখানে নিষ্প্রয়োজন), এই উপসংহারে পৌছা যায় যে, প্রথমোক্ত অভিমতই অধিকতর যুক্তি-গ্রাহ্য। তবে যদি কেহ নিরাপদ সীমানায় থাকিতে পসন্দ করেন, তাহার পক্ষে উভয় অভিমতকে সম্মান দিয়া ‘কুর’ এর অর্থ ‘সম্পূর্ণ মাসই’ ধরা ভাল।
২৭৭
‘কুরূ’ ‘কুর বা কার’ শব্দের বহুবচন, যাহার অর্থ একটি সময়-সীমা ; ঋতুস্রাবকাল; ঋতুস্রাবকালীন সময়ের পূর্ববতী বা পরবর্তী সুস্থাবস্থা ; ঋতুস্রাবের অবসান ; ঋতুস্রাব ও সুস্থাবস্থার যুগ্ন সময় অর্থাৎ পূর্ণ এক মাস; যে সময়ে সুস্থাবস্থা হইতে স্ত্রীলোকেরা ঋতুস্রাবের অবস্থায় প্রবেশ করে (মুহীত ও মুফরাদাত)। নবী করীম (সাঃ)-এর সাহাবীগণের মধ্যে হযরত আবুবকর ও হযরত উমর (রাঃ) এবং ইসলামী আইন-বিদ ইমামগণের মধ্যে হযরত আবু হানিফা ও হযরত আহমদ বিন হাম্বল ‘কুর’ বলিতে ঋতুস্রাবের সময়টিকে বুঝিতেন। অন্যদিকে হযরত আয়েশা ও ইবনে উমর (রাঃ) এবং ইমাম মালিক ও ইমাম শাফিই ঋতু-স্রাব-কাল বাদ দিয়া সুস্থাবস্থার সময়টাকে ‘কুর’ মনে করিতেন। উভয়দিকে সম-ওজনের অভিমত থাকায়, মুসলমানের পক্ষে যে কোন অভিমত গ্রহণযোগ্য। তবে সব কিছু মিলাইয়া যুক্তি-তর্কগুলিকে একত্র করিয়া দেখিলে (সেগুলির উপস্থাপন এখানে নিষ্প্রয়োজন), এই উপসংহারে পৌছা যায় যে, প্রথমোক্ত অভিমতই অধিকতর যুক্তি-গ্রাহ্য। তবে যদি কেহ নিরাপদ সীমানায় থাকিতে পসন্দ করেন, তাহার পক্ষে উভয় অভিমতকে সম্মান দিয়া ‘কুর’ এর অর্থ ‘সম্পূর্ণ মাসই’ ধরা ভাল।