২৫৯৫

‘আরশ’ শব্দ দ্বারা আল্লাহ্‌তা’লার ঐসব গুণাবলীকে বুঝায়, যাহা একান্তভাবেই তাঁহার, যাহা অন্য কোন প্রাণী বা মানুষের মাঝে সামান্য পরিমাণে পাওয়া যাইবে না (৯৮৬,১২৩৩ টীকাদ্বয় দ্রষ্টব্য)। ‘যাহারা আরশকে বহন করে’ এই কথাগুলির অর্থ দাঁড়াইতেছেঃ ঐ সকল সত্তা বা ব্যক্তিবর্গ যাঁহাদের মাধ্যমে ঐ সকল গুণাবলী প্রকাশিত হয়। যেহেতু প্রাকৃতিক নিয়ম-কানুন ফিরিশ্‌তাদের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং যেহেতু নবীগণের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র বাণী মানুষের কাছে পৌঁছাইয়া থাকে, অতএব আল্লাহ্‌তা’লার “আরশ-বহনকারী” বলিতে ফিরিশ্‌তা এবং নবীগণকে বুঝাইতে পারে এবং “যাহারা ইহার (আরশের) চতুষ্পার্শ্বে আছে” বলিতে ঐসব অধীনস্থ ফিরিশ্‌তা যাহারা বড় বড় ফিরিশ্‌তাগণের কাজে সাহায্য করেন, তাহাদিগকে বুঝাইতে পারে অথবা নবীগণের সত্যিকারের অনুসারীগণ, যাহারা আল্লাহ্‌র বাণী ও নবীগণের শিক্ষাকে সর্বসাধারণের মাঝে প্রচার করিয়া থাকেন, তাহাদিগকে বুঝাইতে পারে। (দেখুন টীকা ৯৮৬)।

Visitor Edits

February 17, 2026 1:02 amApproved(Admin Modified)
‘আরশ’ শব্দ দ্বারা আল্লাহ্‌তা’লার ঐসব গুণাবলীকে বুঝায়, যাহা একান্তভাবেই তাঁহার, যাহা অন্য কোন প্রাণী বা মানুষের মাঝে সামান্য পরিমাণে পাওয়া যাইবে না (৯৮৬,১২৩৩ টীকাদ্বয় দ্রষ্টব্য)। ‘যাহারা আরশকে বহন করে’ এই কথাগুলির অর্থ দাঁড়াইতেছেঃ ঐ সকল সত্তা বা ব্যক্তিবর্গ যাঁহাদের মাধ্যমে ঐ সকল গুণাবলী প্রকাশিত হয়। যেহেতু প্রাকৃতিক নিয়ম-কানুন ফিরিশ্‌তাদের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং যেহেতু নবীগণের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র বাণী মানুষের কাছে পৌঁছাইয়া থাকে, অতএব আল্লাহ্‌তা’লার “আরশ-বহনকারী” বলিতে ফিরিশ্‌তা এবং নবীগণকে বুঝাইতে পারে এবং “যাহারা ইহার (আরশের) চতুষ্পার্শ্বে আছে” বলিতে ঐসব অধীনস্থ ফিরিশ্‌তা যাহারা বড় বড় ফিরিশ্‌তাগণের কাজে সাহায্য করেন, তাহাদিগকে বুঝাইতে পারে অথবা নবীগণের সত্যিকারের অনুসারীগণ, যাহারা আল্লাহ্‌র বাণী ও নবীগণের শিক্ষাকে সর্বসাধারণের মাঝে প্রচার করিয়া থাকেন, তাহাদিগকে বুঝাইতে পারে। (দেখুন টীকা ৯৮৬)।