‘পৃথিবী উহার প্রতিপালকের জ্যোতিতে উজ্জ্বল হইয়া উঠিবে’ এই বাক্যটি পরকালের উপর আরোপ করিলে, ইহার এই অর্থ হইবে যে, মানব-জীবনের রহস্যাবলী যাহা ইহ-জগতে আবৃত আছে, উহাদের আবরণ মুক্ত হইবে এবং মানুষের ভাল-মন্দ কাজের ফলাফল যাহা পৃথিবীতে গুপ্ত, অপ্রকাশিত ও দুর্বোধ্য ছিল, তাহা প্রকাশ্যভাবে দৃশ্যমান হইবে। আবার এই বাক্যটি যদি ধর্ম-সংস্কারক বিশেষতঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর আরোপ করা হয়, তাহা হইলে ইহার মর্ম এই দাঁড়াইবে যে, হযরত নবী করীম (সাঃ)-এর আগমনে সারা বিশ্ব ঐশী আলোকে উজ্জ্বল হইয়া উঠিবে এবং যে আধ্যাত্মিক অন্ধকার তাহার আগমনের প্রাক্কালে জল-স্থলকে ছাইয়া ফেলিয়াছিল তাহা দূরীভূত হইয়া যাইবে। এই আয়াতের বাক্য ‘নবীগণকে এবং অপরাপর সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা হইবে’ বলিতে মহানবী (সাঃ) ও তাঁহার অনুসারীগণকে বুঝাইতেছে, কেননা মহানবী (সাঃ)-এর ব্যক্তিত্বে একাধারে সকল নবীর প্রকাশ ঘটিয়াছে। তিনি সকল নবীর প্রতীক ও প্রতিনিধি। তাঁহার সত্যিকার অনুসারীরা সাক্ষীর মর্যাদায় ভূষিত। কেননা তাহাদিগকে মানবমণ্ডলীর উপর সাক্ষ্যদানের মর্যাদা দেওয়া হইয়াছে (২ঃ১৪৪)।
২৫৮৯
‘পৃথিবী উহার প্রতিপালকের জ্যোতিতে উজ্জ্বল হইয়া উঠিবে’ এই বাক্যটি পরকালের উপর আরোপ করিলে, ইহার এই অর্থ হইবে যে, মানব-জীবনের রহস্যাবলী যাহা ইহ-জগতে আবৃত আছে, উহাদের আবরণ মুক্ত হইবে এবং মানুষের ভাল-মন্দ কাজের ফলাফল যাহা পৃথিবীতে গুপ্ত, অপ্রকাশিত ও দুর্বোধ্য ছিল, তাহা প্রকাশ্যভাবে দৃশ্যমান হইবে। আবার এই বাক্যটি যদি ধর্ম-সংস্কারক বিশেষতঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর আরোপ করা হয়, তাহা হইলে ইহার মর্ম এই দাঁড়াইবে যে, হযরত নবী করীম (সাঃ)-এর আগমনে সারা বিশ্ব ঐশী আলোকে উজ্জ্বল হইয়া উঠিবে এবং যে আধ্যাত্মিক অন্ধকার তাঁহার আগমনের প্রাক্কালে জল-স্থলকে ছাইয়া ফেলিয়াছিল তাহা দূরীভূত হইয়া যাইবে। এই আয়াতের বাক্য ‘নবীগণকে এবং অপরাপর সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা হইবে’ বলিতে মহানবী (সাঃ) ও তাঁহার অনুসারীগণকে বুঝাইতেছে, কেননা মহানবী (সাঃ)-এর ব্যক্তিত্বে একাধারে সকল নবীর প্রকাশ ঘটিয়াছে। তিনি সকল নবীর প্রতীক ও প্রতিনিধি। তাঁহার সত্যিকার অনুসারীরা সাক্ষীর মর্যাদায় ভূষিত। কেননা তাহাদিগকে মানবমণ্ডলীর উপর সাক্ষ্যদানের মর্যাদা দেওয়া হইয়াছে (২ঃ১৪৪)।