বিশ্বাসঘাতক বনু কুরায়যা গোত্র মহানবী (সাঃ)-এর সাথে শপথ করিয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছিল যে, শত্রুরা মদীনায় মুসলমানগণকে আক্রমণ করিলে তাহারা মুসলমানদের সাথে থাকিবে ও সাহায্য করিবে। কিন্তু খন্দকের যুদ্ধের সময় দেখা গেল, বনু নাযীর গোত্রের নেতা হুয়াই-এর প্ররোচনায় বনু কুরায়যা গোত্র স্বীয় অঙ্গীকার ও চুক্তি ভঙ্গ করিয়া মুসলমানের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অবিশ্বাসীদের সাথে যোগদান করিল। যখন এই সম্মিলিত আক্রমণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হইল, মহানবী (সাঃ) তখন বনু কুরায়যার বিরুদ্ধে অগ্রসর হইলেন এবং তাহাদের ঘাঁটিতেই তাহাদিগকে অবরোধ করিলেন। এই অবরোধ ২৫ দিন স্থায়ী ছিল। অতঃপর, তাহারা অস্ত্র সংবরণ করিয়া মহানবী (সাঃ)-এর স্থলে আউস গোত্রের প্রধান সা’দ বিন মা’আযের মধ্যস্থতা মানিয়া লইল। সা’দ মূসায়ী বিধান (দ্বিতীয় বিবরণ-২০ঃ১০-১৫) অনুযায়ী বনূ কুরায়যাকে শাস্তি প্রদান করিল।
২৩৪৭
বিশ্বাসঘাতক বনু কুরায়যা গোত্র মহানবী (সাঃ)-এর সাথে শপথ করিয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছিল যে, শত্রুরা মদীনায় মুসলমানগণকে আক্রমণ করিলে তাহারা মুসলমানদের সাথে থাকিবে ও সাহায্য করিবে। কিন্তু খন্দকের যুদ্ধের সময় দেখা গেল, বনু নাযীর গোত্রের নেতা হুয়াই-এর প্ররোচনায় বনু কুরায়যা গোত্র স্বীয় অঙ্গীকার ও চুক্তি ভঙ্গ করিয়া মুসলমানের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অবিশ্বাসীদের সাথে যোগদান করিল। যখন এই সম্মিলিত আক্রমণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হইল, মহানবী (সাঃ) তখন বনু কুরায়যার বিরুদ্ধে অগ্রসর হইলেন এবং তাহাদের ঘাঁটিতেই তাহাদিগকে অবরোধ করিলেন। এই অবরোধ ২৫ দিন স্থায়ী ছিল। অতঃপর, তাহারা অস্ত্র সংবরণ করিয়া মহানবী (সাঃ)-এর স্থলে আউস গোত্রের প্রধান সা’দ বিন মা’আযের ‘মধ্যস্থতা’ মানিয়া লইল। সা’দ মূসায়ী বিধান (দ্বিতীয় বিবরণ-২০ঃ১০-১৫) অনুযায়ী বনু কুরায়যাকে শাস্তি প্রদান করিল।