২৩২৬

বেহেশ্‌তের আরাম-আয়েশ ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য সম্বন্ধে বলিতে গিয়া রসূলে পাক (সাঃ) বলিয়াছেন, কোন চক্ষু তাহা (বেহেশ্‌তের আর্শীবাদসমূহ) দেখে নাই, কোন কর্ণ উহাদের সঠিক বর্ণনা শুনে নাই, এমনকি মানুষের মন ঐসব ঐশী আশিসাদির ধারণা পর্যন্ত করিতে পারে না (বুখারী, কিতাব বা’দাল খাল্‌ক)। এই হাদীস হইতে বুঝা যায় যে, পরকালীন জীবনের আশীর্বাদসমূহ পার্থিব বস্তুর মত কিছু নহে। ধর্মপরায়ণ ও বিশ্বাসী ব্যক্তিগণের ইহজীবনের প্রতিটি সৎ কাজ ও পুণ্য কর্ম বিভিন্ন ধরণ-ধারণের আধ্যাত্মিক তৃপ্তি-দায়ক আশীর্বাদরূপে তাহাদের সম্মুখে উপস্থিত করা হইবে। কুরআনে ঐসব আশীর্বাদের যে বর্ণনামূলক বিরতি আছে তাহা উপমাস্বরূপ মাত্র। আলোচ্য আয়াতটির অর্থ ইহাও হইতে পারে যে, পরকালে ধার্মিক বিশ্বাসী ব্যক্তিগণের উপর যে সকল ঐশী অনুগ্রহ, দান, আশীর্বাদ ও পুরস্কারসমূহ বর্ষণ করা হইবে, সেগুলি গুণে, মানে ও পরিমাণে এতই উচ্চ পর্যায়ের হইবে যে, মানুষ ইহজীবনে ইহার কল্পনাও করিতে পারিবে না। ঐসব উচ্চাঙ্গীন ঐশী আশীর্বাদসমূহ হইবে মানুষের কল্পনাতীত।

Visitor Edits

February 14, 2026 3:33 pmApproved(Admin Modified)
বেহেশ্‌তের আরাম-আয়েশ ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য সম্বন্ধে বলিতে গিয়া রসূলে পাক (সাঃ) বলিয়াছেন, কোন চক্ষু তাহা (বেহেশ্‌তের আর্শীবাদসমূহ) দেখে নাই, কোন কর্ণ উহাদের সঠিক বর্ণনা শুনে নাই, এমনকি মানুষের মন ঐসব ঐশী আশিসাদির ধারণা পর্যন্ত করিতে পারে না (বুখারী, কিতাব বা’দাল খাল্‌ক)। এই হাদীস হইতে বুঝা যায় যে, পরকালীন জীবনের আশীর্বাদসমূহ পার্থিব বস্তুর মত কিছু নহে। ধর্মপরায়ণ ও বিশ্বাসী ব্যক্তিগণের ইহজীবনের প্রতিটি সৎ কাজ ও পুণ্য কর্ম বিভিন্ন ধরণ-ধারণের আধ্যাত্মিক তৃপ্তি-দায়ক আশীর্বাদরূপে তাহাদের সম্মুখে উপস্থিত করা হইবে। কুরআনে ঐসব আশীর্বাদের যে বর্ণনামূলক বিরতি আছে তাহা উপমাস্বরূপ মাত্র। আলোচ্য আয়াতটির অর্থ ইহাও হইতে পারে যে, পরকালে ধার্মিক বিশ্বাসী ব্যক্তিগণের উপর যে সকল ঐশী অনুগ্রহ, দান, আশীর্বাদ ও পুরস্কারসমূহ বর্ষণ করা হইবে, সেগুলি গুণে, মানে ও পরিমাণে এতই উচ্চ পর্যায়ের হইবে যে, মানুষ ইহজীবনে ইহার কল্পনাও করিতে পারিবে না। ঐসব উচ্চাঙ্গীন ঐশী আশীর্বাদসমূহ হইবে মানুষের কল্পনাতীত।