‘উমরাহ্’এবং ‘হজ্জকে’ দুইভাবে একত্র করা যাইতে পারে। (ক) যে হজ্জযাত্রী প্রথমে উম্রা শেষ করিয়া ফেলিতে চান, তিনি ইহ্রামের অবস্থায় থাকিয়া উম্রাহ্ সংশ্লিষ্ট সকল ব্রতপালন সম্পন্ন করিয়া ফেলিবেন। অতঃপর, যুল্-হজ্জ মাসের ৮ তারিখে পুনরায় ‘ইহ্রাম’ অবলম্বন করতঃ হজ্জ সংশ্লিষ্ট সকল ব্রত সম্পন্ন করিবেন। এইরূপভাবে উম্রাহ্ ও হজ্জ একত্র করাকে পরিভাষাগতভাবে ‘তামাত্তু’ বলা হয়, যাহার শাব্দিক অর্থ ‘কোন কিছুর সুযোগ নেওয়া’। (খ) হজ্জযাত্রী ‘উম্রাহ্ ও হজ্জ’ একই সঙ্গে সম্পন্ন করিতে পারেন। এইরূপ ক্ষেত্রে ‘উম্রাহ্ ও হজ্জ’ একই সময়ে সম্পাদনের নিয়ৎ বা ইচ্ছা ব্যক্ত করিয়া ‘ইহ্রাম’ বাঁধিতে হইবে এবং ঐ ইহ্রামের অবস্থায় তাহাকে শেষ পর্যন্ত থাকিতে হইবে। এইরূপভাবে “হজ্জ ও উমরাহ” একত্রীকরণকে পরিভাষাগত ভাবে “কীরান” বলা হয়। কীরানের শাব্দিক অর্থ হইল, “দুই বস্তুকে একত্রে রাখা”। কীরানই হউক, আর তামাত্তুই হউক উভয় ক্ষেত্রেই কুরবানী বা পশু যবাহ করা অবশ্য করণীয়। আলোচ্য আয়াতে ‘তামাত্তু’ শব্দটি পরিভাষাগতভাবে ব্যবহৃত হয় নাই, বরং ‘কীরান’ কেও ইহার অন্তর্ভুক্ত করিয়াছে।
২৩০
‘উমরাহ্’এবং ‘হজ্জকে’ দুইভাবে একত্র করা যাইতে পারে। (ক) যে হজ্জযাত্রী প্রথমে উম্রা শেষ করিয়া ফেলিতে চান, তিনি ইহ্রামের অবস্থায় থাকিয়া উম্রাহ্ সংশ্লিষ্ট সকল ব্রতপালন সম্পন্ন করিয়া ফেলিবেন। অতঃপর, যুল্-হজ্জ মাসের ৮ তারিখে পুনরায় ‘ইহ্রাম’ অবলম্বন করতঃ হজ্জ সংশ্লিষ্ট সকল ব্রত সম্পন্ন করিবেন। এইরূপভাবে উম্রাহ্ ও হজ্জ একত্র করাকে পরিভাষাগতভাবে ‘তামাত্তু’ বলা হয়, যাহার শাব্দিক অর্থ ‘কোন কিছুর সুযোগ নেওয়া’। (খ) হজ্জযাত্রী ‘উম্রাহ্ ও হজ্জ’ একই সঙ্গে সম্পন্ন করিতে পারেন। এইরূপ ক্ষেত্রে ‘উম্রাহ্ ও হজ্জ’ একই সময়ে সম্পাদনের নিয়ৎ বা ইচ্ছা ব্যক্ত করিয়া ‘ইহ্রাম’ বাঁধিতে হইবে এবং ঐ ইহ্রামের অবস্থায় তাহাকে শেষ পর্যন্ত থাকিতে হইবে। এইরূপভাবে “হজ্জ ও উমরাহ” একত্রীকরণকে পরিভাষাগত ভাবে “কীরান” বলা হয়। কীরানের শাব্দিক অর্থ হইল, “দুই বস্তুকে একত্রে রাখা”। কীরানই হউক, আর তামাত্তুই হউক উভয় ক্ষেত্রেই কুরবানী বা পশু যবাহ করা অবশ্য করণীয়। আলোচ্য আয়াতে ‘তামাত্তু’ শব্দটি পরিভাষাগতভাবে ব্যবহৃত হয় নাই, বরং ‘কীরান’ কেও ইহার অন্তর্ভুক্ত করিয়াছে।