২১০২

‘যাল্লুন’ হইতে ‘যাল্লা’ গঠিত, যাহার অর্থ সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইল, সে হতবুদ্ধি হইল, সে ভালবাসায় ডুবিয়া গেল (লেইন)। যখন ইসরাঈলী ব্যক্তিটি হযরত মূসা (আঃ)-কে তাহার সাহায্যার্থে আহ্বান করিয়াছিল, তখন তিনি বুঝিতে পারিতেছিলেন না কি করিতে হইবে এবং অস্থির হইয়া বেচারা অসহায় ইসরাঈলী ব্যক্তিকে সাহায্য করার জন্য (২৮ঃ১৬-২১) মূসা (আঃ) মিশরীয়কে এক মুষ্ঠাঘাত করিলেন যাহা তাহার মৃত্যু ঘটাইয়াছিল। এই মৃত্যু একটি আকস্মিক ঘটনা ছিল, কারণ এক মুষ্ঠির আঘাত কোন লোকের মৃত্যু ঘটাইতে পারে না। অথবা এই আয়াতের মর্ম এইরূপও হইতে পারে যে, তাঁহার জাতির লোকের প্রতি গভীর ভালবাসার কারণে মূসা (আঃ) ইসরাঈলী লোকটির সাহায্যার্থে অগ্রসর হইয়াছিলেন এবং মিশরীয় লোকটিকে ঘুষি মারিয়াছিলেন যাহার ফলে লোকটি মারা গিয়াছিল, যাহা ইচ্ছাকৃত ছিল না। এই অর্থ হইতে পারে যে, ব্যাপারটি যে এত দূর গড়াইবে তাহা তিনি জানিতেন না।

Visitor Edits

January 10, 2026 4:57 pmApproved
‘যাল্লুন’ হইতে ‘যাল্লা’ গঠিত, যাহার অর্থ সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইল, সে হতবুদ্ধি হইল, সে ভালবাসায় ডুবিয়া গেল (লেইন)। যখন ইসরাঈলী ব্যক্তিটি হযরত মূসা (আঃ)-কে তাহার সাহায্যার্থে আহ্বান করিয়াছিল, তখন তিনি বুঝিতে পারিতেছিলেন না কি করিতে হইবে এবং অস্থির হইয়া বেচারা অসহায় ইসরাঈলী ব্যক্তিকে সাহায্য করার জন্য (২৮ঃ১৬-২১) মূসা (আঃ) মিশরীয়কে এক মুষ্ঠাঘাত করিলেন যাহা তাহার মৃত্যু ঘটাইয়াছিল। এই মৃত্যু একটি আকস্মিক ঘটনা ছিল, কারণ এক মুষ্ঠির আঘাত কোন লোকের মৃত্যু ঘটাইতে পারে না। অথবা এই আয়াতের মর্ম এইরূপও হইতে পারে যে, তাঁহার জাতির লোকের প্রতি গভীর ভালবাসার কারণে মূসা (আঃ) ইসরাঈলী লোকটির সাহায্যার্থে অগ্রসর হইয়াছিলেন এবং মিশরীয় লোকটিকে ঘুষি মারিয়াছিলেন যাহার ফলে লোকটি মারা গিয়াছিল, যাহা ইচ্ছাকৃত ছিল না। এই অর্থ হইতে পারে যে, ব্যাপারটি যে এত দূর গড়াইবে তাহা তিনি জানিতেন না।