‘নিশ্চয় তোমার প্রভুই মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়াময়’ বাক্যের অন্তর্নিহিত মর্ম এই যে, এই সূরাতে বর্ণিত অন্যান্য নবীগণের অবস্থার সঙ্গে আঁ-হযরত (সাঃ)-এর অবস্থা সদৃশ হইবে, কিন্তু যেখানে এই সকল নবীগণের বিরুদ্ধবাদীগণকে আল্লাহ্তা’লা পাকড়াও করিয়াছিলেন ও ধ্বংস করিয়াছিলেন, সেখানে নবী করীম (সাঃ)-এর ক্ষেত্রে পরাক্রমশালী খোদা রসূল (সাঃ)-কে বিজয় ও উন্নতি প্রদান করিয়া এবং তাঁহার জয়ের আনন্দ সৃষ্টি করিয়া কেবল তাঁহার শক্তি এবং ক্ষমতার নিদর্শনই প্রকাশ করিবেন না, অধিকন্তু তাঁহার জাতির প্রতি করুণা প্রদর্শন করিবেন, যেজন্য তাহাদের এক ক্ষুদ্র অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হইবে বটে, কিন্তু এক বিরাট সংখ্যা গরিষ্ঠ দল আল্লাহ্তা’লার ক্ষমা এবং করুণা লাভ করিবে এবং অবশেষে তাহারা ঈমান আনিবে।
Visitor Edits
‘নিশ্চয় তোমার প্রভুই মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়াময়’ বাক্যের অন্তর্নিহিত মর্ম এই যে, এই সূরাতে বর্ণিত অন্যান্য নবীগণের অবস্থার সঙ্গে আঁ-হযরত (সাঃ)-এর অবস্থা সদৃশ হইবে, কিন্তু যেখানে এই সকল নবীগণের বিরুদ্ধবাদীগণকে আল্লাহ্তা’লা পাকড়াও করিয়াছিলেন ও ধ্বংস করিয়াছিলেন, সেখানে নবী করীম (সাঃ)-এর ক্ষেত্রে পরাক্রমশালী খোদা রসূল (সাঃ)-কে বিজয় ও উন্নতি প্রদান করিয়া এবং তাঁহার জয়ের আনন্দ সৃষ্টি করিয়া কেবল তাঁহার শক্তি এবং ক্ষমতার নিদর্শনই প্রকাশ করিবেন না, অধিকন্তু তাঁহার জাতির প্রতি করুণা প্রদর্শন করিবেন, যেজন্য তাহাদের এক ক্ষুদ্র অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হইবে বটে, কিন্তু এক বিরাট সংখ্যা গরিষ্ঠ দল আল্লাহ্তা’লার ক্ষমা এবং করুণা লাভ করিবে এবং অবশেষে তাহারা ঈমান আনিবে।