২০৮৫

আয়াতের মধ্যে দুই সমুদ্রকে সত্য এবং মিথ্যা ধর্মের প্রতীকরূপে ধরিয়া নিলে, এই আয়াতের মর্মার্থ হয় যে, সত্য ধর্ম ইসলাম এবং বিকৃত মতামত উভয়ে পাশাপাশি চলমান থাকিবে, প্রথমটি সুমিষ্ট ফল প্রদান করিবে এবং আধ্যাত্মিক পথচারীদিগের তৃষ্ণা নিবারণ করিবে এবং শেষোক্তটি নিস্ফল ও বিস্বাদ হইবে, কোনরূপ ভাল ফল দিতে অসমর্থ হইবে। “দুইটি জল স্রোতের” অর্থ সাগর-সলিল এবং নদীর জলরাশিও হইতে পারে। প্রথমোক্ত পানি লবণাক্ত ও বিস্বাদ, কিন্তু শেষোক্ত পানি সুপেয় ও সুস্বাদু। নদীর সুস্বাদু পানি যখন সাগরে প্রবাহিত হইয়া ইহার লবণাক্ত পানির সহিত মিশিয়া যায়, তখন নদীর সুপেয় পানিও বিস্বাদ হইয়া যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত এই দুই পানি পৃথক থাকে, ততক্ষণ উহাদের স্বাদ ভিন্ন ভিন্ন হয়। একইভাবে সত্য ধর্মের শিক্ষার সহিত যখন মিথ্যা ধর্মের শিক্ষা জড়াইয়া পড়ে তখন উহা আপন সৌন্দর্য ও কার্যকারিতা হারাইয়া ফেলে। কিন্তু আল্লাহ্‌তা’লা এমনইভাবে বিন্যস্ত করিয়াছেন যে, মিথ্যা ধর্মগুলির কাছা কাছি হইয়া যাওয়া সত্বেও ইসলাম ধর্ম কখনও ইহার তৃপ্তিদায়ক সৌন্দর্য হারাইবে না, কারণ আল্লাহ্‌তা’লা ইহাকে রক্ষা করা এবং অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব নিজের উপরে রাখিয়াছেন (১৫ঃ১০)। দুইটির মধ্যে এক অলংঘনীয় বাধা রহিয়াছে, যাহা উহাদিগকে পৃথক করিয়া রাখিয়াছে।

Visitor Edits

January 9, 2026 6:35 pmApproved
আয়াতের মধ্যে দুই সমুদ্রকে সত্য এবং মিথ্যা ধর্মের প্রতীকরূপে ধরিয়া নিলে, এই আয়াতের মর্মার্থ হয় যে, সত্য ধর্ম ইসলাম এবং বিকৃত মতামত উভয়ে পাশাপাশি চলমান থাকিবে, প্রথমটি সুমিষ্ট ফল প্রদান করিবে এবং আধ্যাত্মিক পথচারীদিগের তৃষ্ণা নিবারণ করিবে এবং শেষোক্তটি নিস্ফল ও বিস্বাদ হইবে, কোনরূপ ভাল ফল দিতে অসমর্থ হইবে। “দুইটি জল স্রোতের” অর্থ সাগর-সলিল এবং নদীর জলরাশিও হইতে পারে। প্রথমোক্ত পানি লবণাক্ত ও বিস্বাদ, কিন্তু শেষোক্ত পানি সুপেয় ও সুস্বাদু। নদীর সুস্বাদু পানি যখন সাগরে প্রবাহিত হইয়া ইহার লবণাক্ত পানির সহিত মিশিয়া যায়, তখন নদীর সুপেয় পানিও বিস্বাদ হইয়া যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত এই দুই পানি পৃথক থাকে, ততক্ষণ উহাদের স্বাদ ভিন্ন ভিন্ন হয়। একইভাবে সত্য ধর্মের শিক্ষার সহিত যখন মিথ্যা ধর্মের শিক্ষা জড়াইয়া পড়ে তখন উহা আপন সৌন্দর্য ও কার্যকারিতা হারাইয়া ফেলে। কিন্তু আল্লাহ্‌তা’লা এমনইভাবে বিন্যস্ত করিয়াছেন যে, মিথ্যা ধর্মগুলির কাছা কাছি হইয়া যাওয়া সত্বেও ইসলাম ধর্ম কখনও ইহার তৃপ্তিদায়ক সৌন্দর্য হারাইবে না, কারণ আল্লাহ্‌তা’লা ইহাকে রক্ষা করা এবং অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব নিজের উপরে রাখিয়াছেন (১৫ঃ১০)। দুইটির মধ্যে এক অলংঘনীয় বাধা রহিয়াছে, যাহা উহাদিগকে পৃথক করিয়া রাখিয়াছে।