আখেরী যামানায় পৃথিবীতে ইয়া’জুজ ও মা’জুজের আকারে যে শয়তানী শক্তিগুলি অবাধে ছাড়িয়া দেওয়া অবধারিত ছিল উহার বিরুদ্ধে আশ্রয় চাহিয়া দোয়া করিবার জন্য আঁ-হযরত (সাঃ)-কে ঐ আয়াতে আদেশ দেওয়া হইয়াছে। বাইবেল হইতে ইহা স্পষ্ট যে ইয়া’জুজ ও মা’জুজের সময়ে কেরলমাত্র জাগতিক ও বাহ্যিক শক্তিই ইসলামের বিপদের কারণ হইবে না, বরং অন্যান্য অনেক বিষয়ের উদ্ভব হইবে যাহা ইহার জন্য অধিকতর বিপদের উপকরণ সৃষ্টির কারণ হইবে। আয়াতের দ্বারা নবী করীম (সাঃ)-কে দোয়া করার জন্য আদেশ দেওয়ার অর্থ ইহাও হইতে পারে যে, ইহুদীগণ কর্তৃক প্যালেষ্টাইন দখলের স্থিতিকাল যাহাতে স্বল্পতম হয় এবং যাহাতে ইহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী অর্থাৎ মুসলমানগণ ইহা ফিরিয়া পায়।
Visitor Edits
আখেরী যামানায় পৃথিবীতে ইয়া’জুজ ও মা’জুজের আকারে যে শয়তানী শক্তিগুলি অবাধে ছাড়িয়া দেওয়া অবধারিত ছিল উহার বিরুদ্ধে আশ্রয় চাহিয়া দোয়া করিবার জন্য আঁ-হযরত (সাঃ)-কে ঐ আয়াতে আদেশ দেওয়া হইয়াছে। বাইবেল হইতে ইহা স্পষ্ট যে ইয়া’জুজ ও মা’জুজের সময়ে কেবলমাত্র জাগতিক ও বাহ্যিক শক্তিই ইসলামের বিপদের কারণ হইবে না, বরং অন্যান্য অনেক বিষয়ের উদ্ভব হইবে যাহা ইহার জন্য অধিকতর বিপদের উপকরণ সৃষ্টির কারণ হইবে। আয়াতের দ্বারা নবী করীম (সাঃ)-কে দোয়া করার জন্য আদেশ দেওয়ার অর্থ ইহাও হইতে পারে যে, ইহুদীগণ কর্তৃক প্যালেষ্টাইন দখলের স্থিতিকাল যাহাতে স্বল্পতম হয় এবং যাহাতে ইহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী অর্থাৎ মুসলমানগণ ইহা ফিরিয়া পায়।