১৮৭০

প্রত্যেক নবীর বিরুদ্ধে কাফেরদের প্রধান আপত্তি একই রকম যে, তিনি তাহাদেরই মত মরনশীল এক সাধারণ মানুষ (১৪ঃ১১; ২৩ঃ২৫,৩৪; ২৬ঃ১৫৫; ৩৬ঃ১৬ এবং ৬৪ঃ৭)। এই আপত্তির উত্তর ১২ঃ১১০; ১৪ঃ১২; ১৬ঃ৪৪-৪৫ এবং ১৭ঃ৯৬ আয়াতসমূহে দেওয়া হইয়াছে। এই সূরার ৮ আয়াতে ইহার উত্তর দেওয়া হইয়াছে যে, অবিশ্বাসীরা বলে যে, রসূল (সাঃ)-এর মধ্যে সাধারণ মানুষ হইতে ভিন্ন কিছুই নাই, অপর দিকে তাহারা বলে যে, তিনি একজন যাদুকর, অর্থাৎ তিনি একজন শ্রেষ্ঠতর বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। আল্লাহ্‌র প্রত্যাদিষ্ট নবীগণকে যাদুকর আখ্যা দেওয়া হইয়া থাকে, কারণ তাহাদের বাণী শ্রবণকারীদিগের উপর ম্যাজিক বা মন্ত্রবৎ প্রভাব বিস্তার করিয়া থাকে। এই আয়াতের মধ্যে অবিশ্বাসীদিগের এই স্বীকারোক্তি অন্তর্নিহিত রহিয়াছে যে, কুরআনের আকর্ষণকারী শক্তি রহিয়াছে এবং ইহার শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করা একজন নিরপেক্ষ ও ন্যায়-বিচারপরায়ণ মানুষের জন্য সত্যিই কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

Visitor Edits

January 4, 2026 10:24 amApproved
প্রত্যেক নবীর বিরুদ্ধে কাফেরদের প্রধান আপত্তি একই রকম যে, তিনি তাহাদেরই মত মরনশীল এক সাধারণ মানুষ (১৪ঃ১১; ২৩ঃ২৫,৩৪; ২৬ঃ১৫৫; ৩৬ঃ১৬ এবং ৬৪ঃ৭)। এই আপত্তির উত্তর ১২ঃ১১০; ১৪ঃ১২; ১৬ঃ৪৪-৪৫ এবং ১৭ঃ৯৬ আয়াতসমূহে দেওয়া হইয়াছে। এই সূরার ৮ আয়াতে ইহার উত্তর দেওয়া হইয়াছে যে, অবিশ্বাসীরা বলে যে, রসূল (সাঃ)-এর মধ্যে সাধারণ মানুষ হইতে ভিন্ন কিছুই নাই, অপর দিকে তাহারা বলে যে, তিনি একজন যাদুকর, অর্থাৎ তিনি একজন শ্রেষ্ঠতর বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। আল্লাহ্‌র প্রত্যাদিষ্ট নবীগণকে যাদুকর আখ্যা দেওয়া হইয়া থাকে, কারণ তাহাদের বাণী শ্রবণকারীদিগের উপর ম্যাজিক বা মন্ত্রবৎ প্রভাব বিস্তার করিয়া থাকে। এই আয়াতের মধ্যে অবিশ্বাসীদিগের এই স্বীকারোক্তি অন্তর্নিহিত রহিয়াছে যে, কুরআনের আকর্ষণকারী শক্তি রহিয়াছে এবং ইহার শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করা একজন নিরপেক্ষ ও ন্যায়-বিচারপরায়ণ মানুষের জন্য সত্যিই কষ্টসাধ্য ব্যাপার।