যেমন পূর্ববর্তী আয়াত হইতে ইহা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, মরিয়ম যাহা দেখিয়াছিলেন উহা কাশ্ফ ছাড়া অন্য কিছু ছিল না; এবং সাধারণতঃ এরূপ ঘটিয়া থাকে যে, কাশ্ফে যখন কেহ কিছু দেখে যদি জাগ্রত অবস্থায় সে উহা দেখিতে পসন্দ না করে তাহা হইলে কাশ্ফে দেখিলেও সে উহা পসন্দ করে না । যখন হযরত মরিয়ম ফিরিশ্তাকে মানুষের আকৃতিতে তাঁহার সম্মুখে দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখিলেন, সতীত্ব-সম্পন্না যুবতী নারী ছিলেন বিধায় স্বভাবতঃই তিনি ভীত ও বিব্রত হইয়াছিলেন । জাগ্রত অবস্থায় সে ব্যক্তিকে তাঁহার নিকটবর্তী দেখিলে যেরূপ ভীত ও বিব্রত হইতেন এবং এই কারণেই ইহা খুবই স্বাভাবিক যে, তিনি সেই ব্যক্তি হইতে আল্লাহ্তা’লার আশ্রয় চাহিয়া ছিলেন ।