মক্কার কাফেরদিগের উপরে আসন্ন আযাবের কথা এই আয়াতে বর্ণিত হইয়াছে। “ঐ গুলিকে আল্লাহ্ ব্যতীত কেহ রুখিয়া রাখে না” বাক্যাংশ দ্বারা তাহাদের ভাগ্যে নির্ধারিত আযাব হইতে অবকাশ দেওয়ার কথা বলা হইয়াছে। আরবী কবিতায় বহু ছন্দ-গাঁথা পাওয়া যায় যে, বিজয়ীবাহিনীর পশ্চাতে পরিত্যক্ত পরাজিত শত্রুর-মৃত দেহগুলির উপর পাখীরা ঝাপটাইয়া পড়িয়া খাইত। আরবী বাক্ধারায় পাখীদের চক্রাকারে আকাশে ঘুরিয়া বেড়ানো জাতির পরাজয় বা ধ্বংসের লক্ষণ বলিয়া মনে করা হয় (৬৭ঃ২০)। এই আয়াতে ঘোষণা করা হইয়াছে যে, কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হইতে মুসলমানদিগকে আল্লাহ্তা’লা বিরত রাখিয়াছেন। কিন্তু যদি তাহাদিগকে একবার যুদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহা হইলে কাফেরগণ পরাজিত ও বিধ্বস্ত হইবে এবং আকাশে বিচরণকারী পাখীরা তাহাদের মৃতদেহগুলিকে ভক্ষণ করিবে।
Visitor Edits
মক্কার কাফেরদিগের উপরে আসন্ন আযাবের কথা এই আয়াতে বর্ণিত হইয়াছে। “ঐ গুলিকে আল্লাহ্ ব্যতীত কেহ রুখিয়া রাখে না” বাক্যাংশ দ্বারা তাহাদের ভাগ্যে নির্ধারিত আযাব হইতে অবকাশ দেওয়ার কথা বলা হইয়াছে। আরবী কবিতায় বহু ছন্দ-গাঁথা পাওয়া যায় যে, বিজয়ীবাহিনীর পশ্চাতে পরিত্যক্ত পরাজিত শত্রুর-মৃত দেহগুলির উপর পাখীরা ঝাপটাইয়া পড়িয়া খাইত। আরবী বাক্ধারায় পাখীদের চক্রাকারে আকাশে ঘুরিয়া বেড়ানো জাতির পরাজয় বা ধ্বংসের লক্ষণ বলিয়া মনে করা হয় (৬৭ঃ২০)। এই আয়াতে ঘোষণা করা হইয়াছে যে, কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হইতে মুসলমানদিগকে আল্লাহ্তা’লা বিরত রাখিয়াছেন। কিন্তু যদি তাহাদিগকে একবার যুদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহা হইলে কাফেরগণ পরাজিত ও বিধ্বস্ত হইবে এবং আকাশে বিচরণকারী পাখীরা তাহাদের মৃতদেহগুলিকে ভক্ষণ করিবে।