১৪৩১

এই আয়াত এক মহান সত্য মূর্ত করিয়া তুলিয়াছে, যথা— সকল সৃষ্টি ইচ্ছায় হউক, অনিচ্ছায় হউক আল্লাহ্‌ প্রদত্ত প্রাকৃতিক বিধান মানিয়া চলিতে বাধ্য, যেমন জিহ্বা অবশ্যই স্বাদ গ্রহণের কাজ করিবে এবং কর্ণ না শুনিয়া থাকিতে পারে না। প্রকৃতির এই আইনের প্রতি আনুগত্য আবশ্যকভাবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু মানুষকে আবার বিশেষ স্বাধীনতাও দান করা হইয়াছে, যেখানে সে নিজের ইচ্ছাশক্তি এবং পরিণামদর্শী স্ববিবেক ব্যবহার করিতে পারে। কিন্তু তবুও কার্যতঃ যেখানে মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া হইয়াছে বলিয়া মনে হয়, সেখানেও সে বিশেষ বাধ্যবাধকতার অধীন এবং তাহাকে আবশ্যকীয়ভাবে তাহার সব কাজে আল্লাহ্‌তা’লার বিধান মানিয়া চলিতে হয়, সে ইহা পসন্দ করুক বা না করুক। ‘ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়’ শব্দাবলী দুই প্রকারের মানুষকেও বুঝাইতে পারে, যথা—মো’মেন (বিশ্বাসীগণ) যাহারা স্বেচ্ছায় আল্লাহ্‌তা’লার নিকট আত্মসমর্পণ করিয়া থাকে, আর অবিশ্বাসীরা তাঁহার বিধান অনিচ্ছা সত্বেও মানিয়া চলে অর্থাৎ অন্তরে অস্বীকার করিলেও তাহার দেহ আল্লাহ্‌ – প্রদত্ত নিয়ম মানিয়া চলিতে বাধ্য।

Visitor Edits

January 1, 2026 1:03 pmApproved
এই আয়াত এক মহান সত্য মূর্ত করিয়া তুলিয়াছে, যথা— সকল সৃষ্টি ইচ্ছায় হউক, অনিচ্ছায় হউক আল্লাহ্‌ প্রদত্ত প্রাকৃতিক বিধান মানিয়া চলিতে বাধ্য, যেমন জিহ্বা অবশ্যই স্বাদ গ্রহণের কাজ করিবে এবং কর্ণ না শুনিয়া থাকিতে পারে না। প্রকৃতির এই আইনের প্রতি আনুগত্য আবশ্যকভাবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু মানুষকে আবার বিশেষ স্বাধীনতাও দান করা হইয়াছে, যেখানে সে নিজের ইচ্ছাশক্তি এবং পরিণামদর্শী স্ববিবেক ব্যবহার করিতে পারে। কিন্তু তবুও কার্যতঃ যেখানে মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া হইয়াছে বলিয়া মনে হয়, সেখানেও সে বিশেষ বাধ্যবাধকতার অধীন এবং তাহাকে আবশ্যকীয়ভাবে তাহার সব কাজে আল্লাহ্‌তা’লার বিধান মানিয়া চলিতে হয়, সে ইহা পসন্দ করুক বা না করুক। ‘ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়’ শব্দাবলী দুই প্রকারের মানুষকেও বুঝাইতে পারে, যথা—মো’মেন (বিশ্বাসীগণ) যাহারা স্বেচ্ছায় আল্লাহ্‌তা’লার নিকট আত্মসমর্পণ করিয়া থাকে, আর অবিশ্বাসীরা তাঁহার বিধান অনিচ্ছা সত্বেও মানিয়া চলে অর্থাৎ অন্তরে অস্বীকার করিলেও তাহার দেহ আল্লাহ্‌ – প্রদত্ত নিয়ম মানিয়া চলিতে বাধ্য।