আল্লাহ্তা’লা হইতে প্রাপ্ত ইলহামের ভিত্তিতে হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর জীবিত থাকার ব্যাপারে যে বিশ্বাস এবং প্রত্যয় হযরত ইয়াকুব (আঃ)-এর মনে ছিল, উহা এখন তাঁহার নিকট তথ্যপূর্ণ জ্ঞানে পরিণত হইল যখন তাঁহার সামনে ইউসুফের (আঃ) জামা আনিয়া রাখা হইল। ফার্তাদ্দা বাসীরান অর্থাৎ তিনি বিচক্ষণ ব্যক্তির ন্যায় পূর্ণজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখিতে লাগিলেন। হযরত ইয়াকুব (আঃ) অন্ধ হইয়া গিয়াছিলেন কুরআন এই কথা সমর্থন করে না। এই ধারণা আল্লাহ্তা’লার এক নবীর মর্যাদার সহিত শুধু অসামঞ্জস্যপূর্ণই নহে, বরং কুরআনের বহু আয়াত এই কথা অস্বীকার করে। প্রতীয়মান হয় যে, ইহাই সেই জামা যাহা ইউসুফ (আঃ) কে কূপে ফেলিয়া দেওয়ার সময় তাঁহার পরিধানে ছিল।
Visitor Edits
আল্লাহ্তা’লা হইতে প্রাপ্ত ইলহামের ভিত্তিতে হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর জীবিত থাকার ব্যাপারে যে বিশ্বাস এবং প্রত্যয় হযরত ইয়াকুব (আঃ)-এর মনে ছিল, উহা এখন তাঁহার নিকট তথ্যপূর্ণ জ্ঞানে পরিণত হইল যখন তাঁহার সামনে ইউসুফের (আঃ) জামা আনিয়া রাখা হইল। ফার্তাদ্দা বাসীরান অর্থাৎ তিনি বিচক্ষণ ব্যক্তির ন্যায় পূর্ণজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখিতে লাগিলেন। হযরত ইয়াকুব (আঃ) অন্ধ হইয়া গিয়াছিলেন কুরআন এই কথা সমর্থন করে না। এই ধারণা আল্লাহ্তা’লার এক নবীর মর্যাদার সহিত শুধু অসামঞ্জস্যপূর্ণই নহে, বরং কুরআনের বহু আয়াত এই কথা অস্বীকার করে। প্রতীয়মান হয় যে, ইহাই সেই জামা যাহা ইউসুফ (আঃ) কে কূপে ফেলিয়া দেওয়ার সময় তাঁহার পরিধানে ছিল।