পূর্ববর্তী ৬১ আয়াতে হূদের জাতি শব্দগুলি ‘আদ্’ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হইয়াছে ঐতিহাসিক ভিত্তিতে। কারণ ‘আদ্’ প্রকৃতপক্ষে দুইটি গোত্রের নাম, আদে উলা বা প্রথম ‘আদ্’ এবং ‘আদে সানীয়া’ বা দ্বিতীয় ‘আদ্’; এবং হূদের জাতি শব্দগুলি যুক্ত হওয়ায় ইহাই বুঝায় যে, তাহারা প্রথম গোত্র, দ্বিতীয় ‘আদ্’ নহে। কিন্তু এখানে যেহেতু ‘সামূদ’ একটি মাত্র উপজাতির নাম, সেই জন্য ‘সালেহ্ (আঃ)-এর জাতি’ এই কথাগুলি বাদ দেওয়া হইয়াছে, কারণ এই শব্দগুলি যোগ হইলেও বিশেষ কোন প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্য সফল হইত না।
Visitor Edits
পূর্ববর্তী ৬১ আয়াতে হূদের জাতি শব্দগুলি ‘আদ’ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হইয়াছে ঐতিহাসিক ভিত্তিতে। কারণ ‘আদ’ প্রকৃতপক্ষে দুইটি গোত্রের নাম, আদে উলা বা প্রথম ‘আদ’ এবং ‘আদে সানীয়া’ বা দ্বিতীয় ‘আদ’; এবং হূদের জাতি শব্দগুলি যুক্ত হওয়ায় ইহাই বুঝায় যে, তাহারা প্রথম গোত্র, দ্বিতীয় ‘আদ’ নহে। কিন্তু এখানে যেহেতু ‘সামূদ’ একটি মাত্র উপজাতির নাম, সেই জন্য ‘সালেহ্ (আঃ)-এর জাতি’ এই কথাগুলি বাদ দেওয়া হইয়াছে, কারণ এই শব্দগুলি যোগ হইলেও বিশেষ কোন প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্য সফল হইত না।
পূর্ববর্তী ৬১ আয়াতে হূদের জাতি শব্দগুলি ‘আদ্’ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হইয়াছে ঐতিহাসিক ভিত্তিতে। কারণ ‘আদ্’ প্রকৃতপক্ষে দুইটি গোত্রের নাম, আদে উলা বা প্রথম ‘আদ্’ এবং ‘আদে সানীয়া’ বা দ্বিতীয় ‘আদ্’; এবং হূদের জাতি শব্দগুলি যুক্ত হওয়ায় ইহাই বুঝায় যে, তাহারা প্রথম গোত্র, দ্বিতীয় ‘আদ্’ নহে। কিন্তু এখানে যেহেতু ‘সামূদ’ একটি মাত্র উপজাতির নাম, সেই জন্য ‘সালেহ্ (আঃ)-এর জাতি’ এই কথাগুলি বাদ দেওয়া হইয়াছে, কারণ এই শব্দগুলি যোগ হইলেও বিশেষ কোন প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্য সফল হইত না।