১২৩৬

“যিয়া” অর্থ, আলো, উজ্জ্বল বা চমকপ্রদ আলো। “যিয়া” নূর শব্দের সমার্থ-বোধক। কাহারো কাহারো মতে, ইহা নূর অপেক্ষা অধিক তীব্রতা বা গভীর তাৎপর্য বহন করে। অভিধান বিশারদগণের কাহারো কাহারো বিবেচনায় ‘যিয়া’ দ্বারা এমন আলো বুঝায় যাহা ‘নূর’ দ্বারা বিস্তৃত বা বিকীর্ণ হয়। আবার অন্যান্যদের মতে ‘যিয়া’ সেই আলোকরশ্মিকে বুঝায় যাহার নিজস্ব বিদ্যমানতা আছে—যথা সূর্যের বা আগুনের আলো এবং ‘নূর’ হইল সেই আলোর অস্তিত্ব যাহা অন্য কিছুর দ্বারা প্রতিফলিত—যথা চন্দ্রের আলো অর্থাৎ প্রতিবিম্বিত আলো (লেইন ও আকরাব)। ইহাই সঠিক তথ্য বলিয়া অনুমিত হয় যে, ‘যিয়া’ হইল তীব্র আলোকচ্ছটা এবং নূর হইল এমন আলো, যাহা সাধারণভাবে ব্যাপক ও অন্ধকারের বিপরীত অর্থ বুঝায়। এই জন্যই আল্লাহ্‌তা’লার আরেক নাম ‘নূর’। এই অর্থই বরং অধিক ব্যাপক এবং গভীর এবং সেই সঙ্গে অধিকতর গূঢ় ভাব ও তাৎপর্য জ্ঞাপক (মুহীত)।

Visitor Edits

January 20, 2026 11:59 amApproved(Admin Modified)
“যিয়া” অর্থ, আলো, উজ্জ্বল বা চমকপ্রদ আলো। “যিয়া” নূর শব্দের সমার্থ-বোধক। কাহারো কাহারো মতে, ইহা নূর অপেক্ষা অধিক তীব্রতা বা গভীর তাৎপর্য বহন করে। অভিধান বিশারদগণের কাহারো কাহারো বিবেচনায় ‘যিয়া’ দ্বারা এমন আলো বুঝায় যাহা ‘নূর’ দ্বারা বিস্তৃত বা বিকীর্ণ হয়। আবার অন্যান্যদের মতে ‘যিয়া’ সেই আলোকরশ্মিকে বুঝায় যাহার নিজস্ব বিদ্যমানতা আছে—যথা সূর্যের বা আগুনের আলো এবং ‘নূর’ হইল সেই আলোর অস্তিত্ব যাহা অন্য কিছুর দ্বারা প্রতিফলিত—যথা চন্দ্রের আলো অর্থাৎ প্রতিবিম্বিত আলো (লেইন ও আকরাব)। ইহাই সঠিক তথ্য বলিয়া অনুমিত হয় যে, ‘যিয়া’ হইল তীব্র আলোকচ্ছটা এবং নূর হইল এমন আলো, যাহা সাধারণভাবে ব্যাপক ও অন্ধকারের বিপরীত অর্থ বুঝায়। এই জন্যই আল্লাহ্‌তা’লার আরেক নাম ‘নূর’। এই অর্থই বরং অধিক ব্যাপক এবং গভীর এবং সেই সঙ্গে অধিকতর গূঢ় ভাব ও তাৎপর্য জ্ঞাপক (মুহীত)।