দীর্ঘকাল ধরিয়া পর-নির্ভর দাসত্বের জীবন-যাপন করার ফলে, ইসরাঈলী জাতি ভীতু ও অলস হইয়া গিয়াছিল। তাই, আল্লাহ্তা’লা চাহিয়াছিলেন তাহারা কিছুদিন মরুভূমিতে থাকিয়া, শিকার করিয়া ও শাক-সবজী খাইয়া জীবন-ধারণ করুক, যাহাতে তাহাদের ভীতি ও আলস্য কাটিয়া যায় এবং তাহারা স্বাধীনভাবে শ্রমসাধ্য জীবন যাপনের উপযুক্ত হইয়া উঠে। এইভাবে, পুনরুজ্জীবিত হইয়া উঠিলে, তাহাদিগকে প্রতিশ্রুত ভূমিতে লইয়া যাওয়া হইবে এবং ফিলিস্তীনের শাসন কর্তৃত্ব দেওয়া হইবে। কিন্তু বনী ইসরাঈল জাতি আল্লাহ্র এই অভিপ্রায় বুঝিতে পারিল না অথবা বুঝিয়াও ইহাকে মর্যাদা দিল না। তাহারা শহরে বসবাসের জন্য পীড়াপীড়ি করিতে লাগিল। আল্লাহ্ চাহিতেছিলেন তাহাদিগকে প্রতিশ্রুত দেশের শাসন ও কর্তৃত্বের যোগ্য করিয়া তুলিতে, আর হতভাগ্য জাতি চাহিতেছিল গৃহকর্তা বনিতে। তাই, তাহাদিগকে বলা হইল, ‘এই জনপদে প্রবেশ কর এবং সেখান হইতে যেখানে যাহা তোমাদের ইচ্ছা তৃপ্তিসহকারে আহার কর।’
১০২
দীর্ঘকাল ধরিয়া পর-নির্ভর দাসত্বের জীবন-যাপন করার ফলে, ইসরাঈলী জাতি ভীতু ও অলস হইয়া গিয়াছিল। তাই, আল্লাহ্তা’লা চাহিয়াছিলেন তাহারা কিছুদিন মরুভূমিতে থাকিয়া, শিকার করিয়া ও শাক-সব্জী খাইয়া জীবন-ধারণ করুক, যাহাতে তাহাদের ভীতি ও আলস্য কাটিয়া যায় এবং তাহারা স্বাধীনভাবে শ্রমসাধ্য জীবন যাপনের উপযুক্ত হইয়া উঠে। এইভাবে, পুনরুজ্জীবিত হইয়া উঠিলে, তাহাদিগকে প্রতিশ্রুত ভূমিতে লইয়া যাওয়া হইবে এবং ফিলিস্তীনের শাসন কর্তৃত্ব দেওয়া হইবে। কিন্তু বনী ইসরাঈল জাতি আল্লাহ্র এই অভিপ্রায় বুঝিতে পারিল না অথবা বুঝিয়াও ইহাকে মর্যাদা দিল না। তাহারা শহরে বসবাসের জন্য পীড়াপীড়ি করিতে লাগিল। আল্লাহ্ চাহিতেছিলেন তাহাদিগকে প্রতিশ্রুত দেশের শাসন ও কর্তৃত্বের যোগ্য করিয়া তুলিতে, আর হতভাগ্য জাতি চাহিতেছিল গৃহকর্তা বনিতে। তাই, তাহাদিগকে বলা হইল, ‘এই জনপদে প্রবেশ কর এবং সেখান হইতে যেখানে যাহা তোমাদের ইচ্ছা তৃপ্তিসহকারে আহার কর।’